পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০১৭
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
জনাব 'ক' | জনাব 'খ'
রাষ্ট্রের প্রধান ↓ | সরকারের প্রধান ↓
নাম সর্বস্ব ক্ষমতা ↓ | প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী ↓
সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত ↓ | জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ↓
তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা যায় না ↓ | দল ও জাতির নেতা ↓
বছরের প্রথম অধিবেশনে সংসদে ভাষণ দেন | পররাষ্ট্র নীতির রূপকার
- ক)(1)
কোরাম কাকে বলে?
- খ)(2)
স্থানীয় উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা (এনজিও) কীভাবে ভূমিকা রাখে?
- গ)(3)
উদ্দীপকের জনাব 'ক' এর সাথে বাংলাদেশের কোন পদাধিকারীর মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'খ' এর মর্যাদা ও গুরুত্ব বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আইনসভার অধিবেশন পরিচালনার জন্য সংবিধানে নির্ধারিত ন্যূনতম সদস্যের উপস্থিতিকে কোরাম বলে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কোরামের জন্য কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
স্থানীয় উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা এনজিওগুলো পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এরা গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, প্রাথমিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, স্যানিটেশন উন্নয়ন এবং নারীর স্বাবলম্বীকরণ কর্মসূচি পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে প্রত্যক্ষ অবদান রাখে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের জনাব 'ক' এর সাথে বাংলাদেশের 'রাষ্ট্রপতি' পদের হুবহু মিল রয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির হওয়ায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের প্রধান। তবে তিনি কেবল নিয়মতান্ত্রিক বা নামমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। তিনি সংসদ সদস্যদের পরোক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা যায় না। এছাড়া তিনি প্রতি বছর সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
উদ্দীপকের জনাব 'ক' রাষ্ট্রের প্রধান, নামসর্বস্ব ক্ষমতার অধিকারী, সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত, তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা যায় না এবং তিনি বছরের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন। এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে জনাব 'ক' বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'খ' হলেন সরকারের প্রধান ও প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী, যা বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় 'প্রধানমন্ত্রী' পদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ (যদিও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী প্রত্যক্ষ ভোটে এমপি নির্বাচিত হয়ে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থায় প্রধানমন্ত্রী হন)। বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশের সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন মন্ত্রিসভার প্রাণকেন্দ্র এবং নির্বাহী বিভাগের মূল চালিকাশক্তি। তিনি শুধু সরকারপ্রধানই নন, জাতীয় সংসদের নেতা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। সকল গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রীয় প্রশাসন পরিচালনা তাঁর নির্দেশনায় সম্পন্ন হয়।
এছাড়া পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মূল ভূমিকা পালন করেন; আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব তিনি করেন। সংবিধানে রাষ্ট্রপতির নামে কার্যাবলি পরিচালিত হলেও প্রকৃতপক্ষে প্রকৃত শাসনক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার হাতে ন্যস্ত থাকে। সামগ্রিকভাবে, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সার্বিক নেতৃত্ব, দলের দিকনির্দেশনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব ও মর্যাদা সর্বোচ্চ।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও