উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২

উৎপাদন ব্যাবস্থাপনা ও বিপণন ১ম পত্র প্রশ্ন

হবিগঞ্জ উড লিমিটেড ২০১৯ সালে ৯,০০০ টাকা মূল্যের ২,০০০ কাঠের দরজা উৎপাদন করে যার বিক্রয়মূল্য ১,৮০,০০,০০০ টাকা। উক্ত দরজা উৎপাদনে ৯০,০০,০০০ টাকার কাঁচামাল, ১০,০০,০০০ টাকার যন্ত্রপাতি ও ১৫,০০,০০০ টাকা শ্রমিক মজুরি বাবদ ব্যয় করে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনশীলতা ছিল ২.১০।

  1. ক)

    রূপান্তর মূল্য কী?

    (1)
  2. খ)

    উৎপাদনশীলতার উপর মুনাফার পরিমাণ কীভাবে নির্ভর করে? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে হবিগঞ্জ উড লিমিটেড এর ২০১৯ সালের কাঁচামালের উৎপাদনশীলতা নির্ণয় কর।

    (3)
  4. ঘ)

    হবিগঞ্জ উড লিমিটেড এর ২০১৯ সালের উৎপাদনশীলতার সাথে ২০১৮ সালের উৎপাদনশীলতার তুলনামূলক মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কাঁচামালকে প্রক্রিয়াজাত করে চূড়ান্ত পণ্যে রূপান্তর করতে যে ব্যয় (যেমন- প্রত্যক্ষ শ্রম ও কারখানা উপরিখরচ) হয়, তাকে রূপান্তর মূল্য বা রূপান্তর ব্যয় বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উৎপাদনশীলতা বাড়লে প্রতিষ্ঠানের মুনাফার পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। কারণ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ হলো নির্দিষ্ট পরিমাণ উপকরণ ব্যবহার করে অধিক পরিমাণ উৎপাদন করা অথবা উৎপাদন খরচ হ্রাস করা। ফলে একক প্রতি উৎপাদন খরচ কমে যায়। উৎপাদন ব্যয় কম হলে এবং বিক্রয় বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই প্রতিষ্ঠানের মোট মুনাফার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই উৎপাদনশীলতার উপর মুনাফার পরিমাণ প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হবিগঞ্জ উড লিমিটেড-এর ২০১৯ সালের কাঁচামালের উৎপাদনশীলতা নিচে নির্ণয় করা হলো:

    আমরা জানি,
    কাঁচামালের উৎপাদনশীলতা = মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য / মোট কাঁচামাল বাবদ ব্যয়

    উদ্দীপক অনুযায়ী,
    মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য (বিক্রয়মূল্য) = ১,৮০,০০,০০০ টাকা
    কাঁচামাল বাবদ ব্যয় = ৯০,০০,০০০ টাকা

    অতএব, কাঁচামালের উৎপাদনশীলতা = ১,৮০,০০,০০০ টাকা / ৯০,০০,০০০ টাকা = ২

    সুতরাং, প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯ সালের কাঁচামালের উৎপাদনশীলতা হলো ২ (বা ২:১)।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হবিগঞ্জ উড লিমিটেডের ২০১৯ সালের মোট উৎপাদনশীলতা ২০১৮ সালের উৎপাদনশীলতার তুলনায় হ্রাস পেয়েছে। নিচে তুলনামূলক মূল্যায়ন উপস্থাপন করা হলো:

    আমরা জানি,
    মোট উৎপাদনশীলতা = মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য / মোট উপকরণের আর্থিক মূল্য

    উদ্দীপক অনুযায়ী ২০১৯ সালের ক্ষেত্রে:
    মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য = ১,৮০,০০,০০০ টাকা
    মোট উপকরণের আর্থিক মূল্য = কাঁচামাল ব্যয় + যন্ত্রপাতি বাবদ ব্যয় + শ্রমিক মজুরি
    = ৯০,০০,০০০ + ১০,০০,০০০ + ১৫,০০,০০০ = ১,১৫,০০,০০০ টাকা

    অতএব, ২০১৯ সালের মোট উৎপাদনশীলতা = ১,৮০,০০,০০০ / ১,১৫,০০,০০০ ≈ ১.৫৭

    উদ্দীপকে দেওয়া আছে, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনশীলতা ছিল ২.১০।

    তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদনশীলতা ছিল ২.১০, যা ২০১৯ সালে হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১.৫৭-এ। অর্থাৎ ২০১৯ সালে উৎপাদনশীলতা (২.১০ - ১.৫৭) = ০.৫৩ হ্রাস পেয়েছে।

    উপকরণের তুলনায় উৎপাদন বৃদ্ধির হার কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় না থাকা অথবা উপকরণ ব্যয়ের অদক্ষ ব্যবহারের কারণে উৎপাদনশীলতা কমেছে। তাই প্রতিষ্ঠানটির ২০১৯ সালের সার্বিক উৎপাদনশীলতার দক্ষতা ২০১৮ সালের তুলনায় সন্তোষজনক নয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন