সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র • Combined Board • কুমিল্লা, বরিশাল বোর্ড ২০১৯

সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র প্রশ্ন

নিচের ছকচিত্রটি লক্ষ করো ও প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

  1. ক)

    সমাজবিজ্ঞানের জনক কে?

    (1)
  2. খ)

    সমাজবিজ্ঞান সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ- বুঝিয়ে দাও।

    (2)
  3. গ)

    প্রদত্ত ছকচিত্রের'?' চিহ্নিত স্থানটি কোন বিষয়কে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে উত্ত বিষয়ের জ্ঞান অপরিহার্য- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজবিজ্ঞানের জনক হলেন ফরাসি চিন্তাবিদ অগাস্ট কোঁৎ (Auguste Comte)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সমাজবিজ্ঞান হলো সমাজের সামগ্রিক বা পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞানভিত্তিক অধ্যয়ন। অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞান যেমন—অর্থনীতি কেবল অর্থনৈতিক দিক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান কেবল রাজনৈতিক দিক এবং ইতিহাস অতীতের ঘটনাবলি নিয়ে আলোচনা করে। কিন্তু সমাজবিজ্ঞান মানুষের সামাজিক সম্পর্ক, প্রতিষ্ঠান, মূল্যবোধ, সামাজিক পরিবর্তন, সমস্যা ও সামগ্রিক সামাজিক কাঠামো নিয়ে সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করে। তাই সমাজবিজ্ঞানকে সমাজের পূর্ণাঙ্গ পাঠ বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রদত্ত ছকচিত্রের '?' চিহ্নিত স্থানটি 'Sociology' বা 'সমাজবিজ্ঞান' বিষয়কে নির্দেশ করে।

    ছকচিত্রে দেখা যাচ্ছে, ল্যাটিন শব্দ 'Socius' (যার অর্থ সঙ্গী বা সমাজ) এবং গ্রিক শব্দ 'Logos' (যার অর্থ জ্ঞান বা বিজ্ঞান)-এর সমন্বয় দেখানো হয়েছে। ১৮৩৯ সালে ফরাসি দার্শনিক অগাস্ট কোঁৎ এই দুটি শব্দের সংমিশ্রণে সর্বপ্রথম 'Sociology' বা সমাজবিজ্ঞান শব্দটি প্রবর্তন করেন। ব্যুৎপত্তিগত দিক থেকে Sociology হলো সমাজ সম্পর্কিত বিজ্ঞানভিত্তিক অধ্যায়ন। সুতরাং ছকের '?' চিহ্নিত বক্সটিতে 'Sociology' বা 'সমাজবিজ্ঞান' বিষয়টিকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয় সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অপরিহার্য—উক্তিটি যথার্থ।

    সমাজবিজ্ঞান মানুষকে তার পারিপার্শ্বিক সমাজব্যবস্থা, সামাজিক রীতিনীতি, মূল্যবোধ এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। নিচে মানবজীবনে এর গুরুত্ব আলোচনা করা হলো:

    ১. সামাজিক সম্পর্কের স্বরূপ উপলব্ধি: ব্যক্তি হিসেবে মানুষ সমাজে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও সম্পর্কের ভেতর বাস করে। সমাজবিজ্ঞান এই আন্তঃসম্পর্ক ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বুঝতে সহায়তা করে।
    ২. সামাজিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও সমাধান: দারিদ্র্য, বেকারত্ব, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অপরাধপ্রবণতা ইত্যাদি সামাজিক সমস্যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ এবং এর কার্যকর সমাধানের পথ নির্ধারণে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন।
    ৩. সামাজিক নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন: যেকোনো সমাজকল্যাণমূলক পরিকল্পনা ও রাষ্ট্রীয় নীতি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য সমাজের শ্রেণি-কাঠামো ও চাহিদা জানা জরুরি, যা সমাজবিজ্ঞান দিয়ে থাকে।
    ৪. পরমতসহিষ্ণুতা ও মানবতাবোধ সৃষ্টি: সমাজবিজ্ঞান পাঠের ফলে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও জীবনধারার প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাব গড়ে ওঠে, যা সামাজিক সংহতি রক্ষা করে।

    অতএব, সুস্থ, সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সামাজিক জীবনযাপনের লক্ষ্যে মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন