যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯

যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন

দৃষ্টান্ত-১: রহিম ২৫ কেজির একটি ডালের বস্তা নিয়ে এলো। বস্তার ওজন ২ ২ কেজি হলে, ডালের ওজন (২৫ - ২) কেজি = ২৩ কেজি।দৃষ্টান্ত-২: পূর্বগ, ট, ঠ, ড, ঠ, ডঅনুগ-প, ফ, ব, ফ, ব∴\therefore ট হলো প এর কারণ।

  1. ক)

    যৌক্তিক বিভাগের তৃতীয় নিয়মটি কী?

    (1)
  2. খ)

    উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি কখন ঘটে?

    (2)
  3. গ)

    দৃষ্টান্ত-১ এ কোন ধরনের পরীক্ষণমূলক পদ্ধতিকে নির্দেশ। করছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌক্তিক বিভাগের তৃতীয় নিয়মটি হলো: বিভক্ত উপজাতিগুলোর ব্যক্তর্থের সমষ্টি সর্বদা বিভাজ্য মূল জাতির ব্যক্তর্থের সমান হতে হবে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌক্তিক বিভাগে কোনো জাতিকে বিভাজনের সময় যদি তার নিকটতম উপজাতিতে বিভক্ত না করে এক বা একাধিক মধ্যবর্তী স্তর বা ধাপ বাদ দিয়ে দূরবর্তী কোনো উপজাতিতে বিভাগ করা হয়, তবে সেখানে 'উল্লম্ফন বিভাগ অনুপপত্তি' (Fallacy of Saltus in Dividing) ঘটে। যেমন- জীবকে সরাসরি মানুষ বা পশুতে বিভক্ত না করে শিক্ষক, ডাক্তার ইত্যাদিতে বিভক্ত করলে এই অনুপপত্তি ঘটে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃষ্টান্ত-১ এ যুক্তিবিদ জন স্টুয়ার্ট মিল প্রবর্তিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতির অন্যতম পদ্ধতি 'অবশেষ পদ্ধতি' (Method of Residues)-কে নির্দেশ করছে।

    অবশেষ পদ্ধতির মূল কথা হলো: কোনো ঘটনার যে অংশটি পূর্ববর্তী আরোহের সাহায্যে অন্য কোনো পূর্বগের কার্য বলে জানা যায়, সেই অংশটি বাদ দিলে অবশিষ্ট ঘটনাটি অবশিষ্ট পূর্বগের কার্য হবে।

    উদ্দীপকের দৃষ্টান্ত-১ এ মোট ওজন ২৫ কেজি (ডাল ও বস্তার মিলিত ওজন)। এখানে বস্তার পূর্বজ্ঞাত ওজন ২ কেজি বাদ দেওয়ায় অবশিষ্ট ডালের ওজন পাওয়া যায় (২৫ - ২) = ২৩ কেজি। এটি সুস্পষ্টভাবে অবশেষ পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃষ্টান্ত-২ এ নির্দেশিত পরীক্ষণমূলক পদ্ধতিটি হলো জন স্টুয়ার্ট মিলের 'ব্যতিরেকী পদ্ধতি' (Method of Difference)। উদ্দীপকে দুটি দৃষ্টান্ত রয়েছে—প্রথম দৃষ্টান্তে সদর্থকভাবে পূর্বগ (ট, ঠ, ড) ও অনুগ (প, ফ, ব) উপস্থিত এবং দ্বিতীয় দৃষ্টান্তে নঞর্থকভাবে 'ট' অনুপস্থিত থাকায় অনুগে 'প' অনুপস্থিত। এর সুবিধা ও অসুবিধা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    সুবিধা:
    ১. নিশ্চিত সিদ্ধান্ত: ব্যতিরেকী পদ্ধতির মাধ্যমে অত্যন্ত নিশ্চিতভাবে ও বৈজ্ঞানিক নির্ভুলতায় কার্যকারণ সম্পর্ক প্রমাণ করা যায়।
    ২. পরীক্ষণে সহজে প্রয়োগযোগ্য: এটি প্রধানত পরীক্ষণের পদ্ধতি হওয়ায় গবেষণাগারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সহজে প্রয়োগ করা যায়।
    ৩. কার্য ও কারণের সহগামিতা স্পষ্ট করে: একটি মাত্র শর্তের উপস্থিতিতে কার্য ঘটে এবং অনুপস্থিতিতে ঘটে না বিধায় কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয় সহজ হয়।

    অসুবিধা:
    ১. নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা: নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে প্রকৃতিতে ঠিক একই পরিবেশের কেবল একটি মাত্র অবস্থার পার্থক্যযুক্ত দুটি সম্পূর্ণ সদৃশ দৃষ্টান্ত পাওয়া অত্যন্ত কঠিন।
    ২. কাকতালীয় অনুপপত্তির সম্ভাবনা: অসতর্কভাবে প্রয়োগ করলে কেবল পূর্ববর্তী কোনো আকস্মিক ঘটনাকে কারণ মনে করে কাকতালীয় অনুপপত্তি (Post hoc ergo propter hoc) ঘটতে পারে।
    ৩. বহুকারণবাদের ঝুঁকি: আপাতদৃষ্টিতে একটি কারণ নিশ্চিত মনে হলেও অন্য কোনো অপ্রকাশিত শর্ত বা বহুকারণের মিশ্রণ এর পেছনে থাকতে পারে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন