যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন
দৃশ্যকল্প-১: ডাঃ সুদীপ্ত সৎ, দয়ালু ও পরোপকারী ব্যক্তি, পরোপকারিতার জন্যই তিনি সর্বত্র প্রশংসিত।দৃশ্যকল্প-২:

- ক)(1)
জাত্যর্থ কাকে বলে?
- খ)(2)
শব্দ কখন পদে পরিণত হয়?
- গ)(3)
দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত শব্দগুলো কোন ধরনের পদ তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
দৃশ্যকল্প-২ এ পদের যে সম্পর্কের ইঙ্গিত রয়েছে তা পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো পদ যে আবশ্যিক ও সাধারণ গুণ বা গুণসমূহকে নির্দেশ করে, তাকে সেই পদের জাত্যর্থ (Connotation) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
একটি শব্দ তখনই পদে পরিণত হয় যখন তা কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য (Subject) বা বিধেয় (Predicate) হিসেবে ব্যবহৃত হয় অথবা ব্যবহারের যোগ্যতা অর্জন করে। শুধুমাত্র ব্যাকরণগত শব্দ যুক্তিবিদ্যায় পদ নয়; শব্দ যখন স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করে যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় রূপ ধারণ করার উপযোগী হয়, তখন তা পদ বলে গণ্য হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লেখিত শব্দগুলোর মধ্যে পদযোগ্য এবং সহ-পদযোগ্য বা গুণবাচক ও বস্তুবাচক পদের বৈশিষ্ট্য দেখা যায়। যুক্তিবিদ্যায় যেসব শব্দ নিজেই কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হতে পারে সেগুলোকে পদযোগ্য শব্দ বা পদ বলে।
দৃশ্যকল্প-১ এ 'ডাঃ সুদীপ্ত' এবং 'ব্যক্তি' হলো বস্তুবাচক বা বিশিষ্ট পদ (বিশেষ ব্যক্তি বা ধারণাকে নির্দেশ করে)। অন্যদিকে 'সৎ', 'দয়ালু' এবং 'পরোপকারী' হলো গুণবাচক শব্দ যা ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে এবং বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে সক্ষম। 'পরোপকারিতা' একটি গুণবাচক বিমূর্ত পদ (Abstract term)। যুক্তিবাক্যের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এরা গুণবাচক ও বস্তুবাচক পদ হিসেবে স্বাধীনভাবে ব্যবহারযোগ্য।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
দৃশ্যকল্প-২ এ পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী বা ব্যস্তানুপাতিক পরিবর্তন সম্পর্কের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
যুক্তিবিদ্যায় ব্যক্ত্যর্থ হলো পদের সংখ্যার বা পরিমাণের দিক এবং জাত্যর্থ হলো গুণের দিক। ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান, যা চারটি নিয়মে প্রকাশ পায়:
১. ব্যক্ত্যর্থ বাড়লে জাত্যর্থ কমে,
২. ব্যক্ত্যর্থ কমলে জাত্যর্থ বাড়ে,
৩. জাত্যর্থ বাড়লে ব্যক্ত্যর্থ কমে,
৪. জাত্যর্থ কমলে ব্যক্ত্যর্থ বাড়ে।দৃশ্যকল্প-২ এর চিত্রে দেখা যায়:
- যখন কেবল 'ডাক্তার' (কম গুণ), তখন সংখ্যা বা ব্যক্ত্যর্থ সবচেয়ে বেশি (১০০)।
- যখন গুণের পরিমাণ বেড়ে 'ডাক্তার + নিয়মানুবর্তিতা' হলো, তখন ব্যক্ত্যর্থ কমে ৭৫ হলো।
- আবার যখন গুণ আরও বেড়ে 'ডাক্তার + নিয়মানুবর্তিতা + মানবিক' হলো, তখন ব্যক্ত্যর্থ আরও কমে ৫০ এ নেমে এল।
অর্থাৎ, জাত্যর্থ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ব্যক্ত্যর্থ হ্রাস পাচ্ছে। এটি পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী বা ব্যস্তানুপাতিক হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়মকে যথাযথভাবে প্রমাণ ও বিশ্লেষণ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও