অর্থনীতি ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
বৃহৎ শিল্প কি?
- খ)(2)
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনয়নে PPP কিভাবে ভূমিকা রাখে।
- গ)(3)
উদ্দীপকে কোন শিল্পকে নির্দেশ করা হয়েছে? যুক্তি দাও।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত শিল্পটির সমস্যা সমাধানের জন্য তুমি কি কি সুপারিশ করবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতীয় শিল্পনীতি অনুসারে, উৎপাদনমুখী খাতে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত থাকে, তাকে বৃহৎ শিল্প বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) বা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে পরিচালিত প্রকল্পে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষের সুস্পষ্ট চুক্তি, নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও ঝুঁকি বণ্টন থাকে। এতে কাজের গুণগত মান, আর্থিক ব্যয়ের হিসাব এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে বেসরকারি খাতকে সরকারের কাছে এবং সরকারকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হয়। প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র এবং যৌথ তদারকির কারণে দুর্নীতি ও অপচয় হ্রাস পায়, যা সামগ্রিক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বাংলাদেশের 'কুটির শিল্প' বা 'ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প'-কে নির্দেশ করা হয়েছে।
যুক্তি: উদ্দীপকের ছকে চারটি প্রধান সমস্যার কথা উল্লেখ রয়েছে— মূলধনের স্বল্পতা, ঋণের অভাব, শ্রমিকদের অশিক্ষা এবং সীমাবদ্ধ বাজার। বাংলাদেশের কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের উদ্যোক্তাগণ মূলত নিজস্ব বা পারিবারিক স্বল্প সঞ্চয় নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেন, যার ফলে তারা তীব্র মূলধন স্বল্পতায় ভোগেন। প্রাতিষ্ঠানিক জামানতের অভাবে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। এছাড়া এ খাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পারিবারিক বা স্থানীয় স্বল্পশিক্ষিত ও অপ্রশিক্ষিত শ্রমিক নিয়োজিত থাকে, যার ফলে উৎপাদনশীলতা কম হয়। পাশাপাশি আধুনিক বিপণন ব্যবস্থা ও প্রচারণার অভাবে এদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার অত্যন্ত সীমিত বা স্থানীয় এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। এই বৈশিষ্ট্য ও সমস্যাগুলো মূলত কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ। তাই উদ্দীপকে কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত কুটির ও ক্ষুদ্র শিল্পের সমস্যাসমূহ সমাধানের জন্য নিম্নোক্ত সুপারিশসমূহ করা যেতে পারে:
১. সহজ শর্তে ঋণ ও মূলধন সরবরাহ: বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জামানতবিহীন ও স্বল্প সুদে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ঋণ তহবিলের ব্যবস্থা করা।
২. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন: শ্রমিক ও কারিগরদের আধুনিক প্রযুক্তি এবং উৎপাদন পদ্ধতির ওপর প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করে তাদের দক্ষতা ও শিক্ষা বৃদ্ধি করা।
৩. বাজার সম্প্রসারণ ও বিপণন সুবিধা: উৎপাদিত পণ্য দেশের ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য দূর করা এবং অনলাইন/ই-কমার্সের মাধ্যমে সরাসরি ক্রেতার কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা।
৪. কাঁচামালের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ: উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য ন্যায্যমূল্যে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে উন্নতমানের কাঁচামাল সরবরাহের সরকারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫. সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও কর সুবিধা: বিসিক (BSCIC)-এর কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, উদ্যোক্তাদের কর অবকাশ সুবিধা দেওয়া এবং এ খাতের উৎপাদিত পণ্যের সুরক্ষায় আমদানি শুল্ক সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা।উপযুক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়িত হলে এ শিল্পটির বিদ্যমান সমস্যা দূর হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও