পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
কামাল সাহেব দীর্ঘদিন থেকে জ্বর, কাশি এবং নিউমোনিয়াসহ নানাবিদ শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি লক্ষ্য করলেন তার ওজন ও দিন দিন কমে যাচ্ছে এবং ক্রমাগত তিনি দুর্বল হয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি হলে ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। পরে জানান যে, তিনি একটি ভাইরাস জনিত প্রাণঘাতী ব্যাধিতে আক্রান্ত।
- ক)(1)
ইভটিজিং কী?
- খ)(2)
খাদ্য ভেজাল বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত কামাল সাহেব কোন ধরনের রোগে আক্রান্ত? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে বর্ণিত রোগের বিস্তার রোধে নাগরিকের কি করনীয়? এ সম্পর্কে তোমার মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ইভটিজিং হলো কোনো নারী বা কিশোরীকে উদ্দেশ্য করে রাস্তাঘাটে বা জনসমক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা উত্ত্যক্ত করার মাধ্যমে যৌন হয়রানি করা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
খাদ্যে কোনো ক্ষতিকর, নিম্নমানের বা অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক ও উপাদান মিশিয়ে খাবারের গুণগত মান বিনষ্ট করা বা খাবারের আসল উপাদান আংশিক বা সম্পূর্ণ সরিয়ে নেওয়াকে খাদ্য ভেজাল বলে। এর ফলে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত কামাল সাহেব ঘাতক ব্যাধি এইডস (AIDS - Acquired Immune Deficiency Syndrome)-এ আক্রান্ত।
উদ্দীপকে দেখা যায় কামাল সাহেব দীর্ঘদিন ধরে জ্বর, কাশি, নিউমোনিয়া এবং অস্বাভাবিক ওজন হ্রাসসহ নানাবিধ জটিলতায় ভুগছেন, যা ক্রমাগত তাকে দুর্বল করে ফেলছে। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন এটি একটি ভাইরাসজনিত প্রাণঘাতী ব্যাধি।
এইচআইভি (HIV) ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেলে এইডস রোগের সৃষ্টি হয়। এর প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্রমাগত ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর ও কাশি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় নিউমোনিয়ার মতো বিভিন্ন সুবিধাবাদী সংক্রমণ দেখা দেওয়া। তাই লক্ষণ বিবেচনায় কামাল সাহেব এইডস রোগে আক্রান্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত এইডস রোগের বিস্তার রোধে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে করণীয় পদক্ষেপসমূহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এ সম্পর্কে মতামত তুলে ধরা হলো:
১. ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলা এবং অনৈতিক ও ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক সম্পর্ক পরিহার করা।
২. রক্ত গ্রহণ বা সঞ্চালনের পূর্বে রক্তে এইচআইভি ভাইরাস আছে কি না তা সঠিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা।
৩. একবার ব্যবহারযোগ্য (ডিসপোজেবল) সিরিঞ্জ ও সূঁচ ব্যবহার করা এবং একজনের ব্যবহৃত সুই অন্যজন ব্যবহার না করা।
৪. মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা, বিশেষ করে শিরায় মাদক গ্রহণের অভ্যাস সম্পূর্ণ পরিহার করা।
৫. সমাজে এইডস রোগের কারণ ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি মানবিক আচরণ প্রদর্শন করা।সচেতনতাই এইডস প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার, তাই প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ এই মরণব্যাধির বিস্তার রোধ করতে পারে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও