ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২১

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

রবি এবং ছবি জমজ ভাই। তাদের পিতা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। তারা প্রায়ই ফাস্টফুড খেত, তারা বার্গার, চিপস নিত। ঐ সমস্ত খাবার বর্ণিল এবং অতি স্বাদের। মোড়কগুলোও প্লাস্টিকের, রবি এবং ছবি এখন ঐ সমস্ত খাবারে আসক্ত।

  1. ক)

    ব্যবসায়ের নৈতিকতা কী?

    (1)
  2. খ)

    পরিবেশ সংরক্ষণ বলতে কী বোঝ?

    (2)
  3. গ)

    রবি এবং হবি'র খাদ্যাভ্যাসের খারাপ প্রতিক্রিয়া কী? ব্যাখ্যা কর

    (3)
  4. ঘ)

    এই সমস্যা কমাতে করণীয় কী? ব্যাখ্যা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যবসায় পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনটা ভালো ও কোনটা মন্দ, কোনটা উচিত ও কোনটা অনুচিত—এ সংক্রান্ত নীতি ও আদর্শ মেনে চলাকে ব্যবসায়ের নৈতিকতা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ রোধ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় রোধ করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশকে উপযোগী ও নিরাপদ রাখাই হলো পরিবেশ সংরক্ষণ। ব্যবসায়-বাণিজ্যের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে রবি ও ছবির (প্রশ্নে 'হবি' হিসেবে উল্লিখিত) অতিরিক্ত ফাস্টফুড গ্রহণের অভ্যাসের ফলে শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত নানা জটিলতা এবং পরিবেশ দূষণের মতো খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে।

    ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবারে কৃত্রিম রঙ, অতিরিক্ত চর্বি, চিনি ও রাসায়নিক উপাদান থাকে যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। উদ্দীপকে জমজ ভাই রবি ও ছবি বর্ণিল ও অতি স্বাদের প্লাস্টিক মোড়কযুক্ত বার্গার, চিপসে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এর ফলে তাদের মধ্যে স্থূলতা (Obesity), হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, গ্যাস্ট্রিক এবং পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এই ধরনের খাবার অতিরিক্ত খেলে শিশুদের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। তাছাড়া খাবারের প্লাস্টিকের মোড়ক যত্রতত্র ফেলার কারণে পরিবেশও মারাত্মকভাবে দূষিত হয়।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সমস্যা অর্থাৎ ফাস্টফুডে আসক্তি ও পরিবেশ দূষণ রোধ করতে পরিবার, ব্যবসায়ী এবং সরকারসহ সমাজের বিভিন্ন পক্ষের সম্মিলিত সচেতনতা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

    প্রথমত, পারিবারিক পর্যায়ে বাবা-মাকে সচেতন হতে হবে এবং সন্তানদের বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবারের পরিবর্তে পুষ্টিকর ও সুষম ঘরোয়া খাবারে অভ্যস্ত করাতে হবে। ফাস্টফুডের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে তাদের বোঝাতে হবে।

    দ্বিতীয়ত, খাদ্য প্রস্তুতকারক ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক নৈতিকতা অনুসরণ করতে হবে। ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম রঙের ব্যবহার বন্ধ করে মানসম্মত খাদ্য তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি প্লাস্টিক মোড়কের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল মোড়ক ব্যবহার করতে হবে।

    তৃতীয়ত, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেমন বিএসটিআই (BSTI) ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত তদারকি ও ভেজালবিরোধী অভিযান জোরদার করতে হবে। সর্বোপরি জনসচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমেই এই স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পরিবেশ বিপর্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন