‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

কলেজ ছাত্রী 'ক' প্রতিদিন কলেজ যাওয়া আসার সময় বখাটে যুবকদের দ্বারা নানাভাবে হয়রানি শিকার হয়। তারা বাজে অঙ্গভঙ্গি ও অশ্লীল মন্তব্যের দ্বারা তাকে বিরক্ত করে।

  1. ক)

    জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ কী?

    (1)
  2. খ)

    দুর্নীতি বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে যে সামাজিক সমস্যার কথা বলা হয়েছে তার কারণ ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা সমাধানে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে বলে তুমি মনে কর? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ হলো বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দুর্নীতি বলতে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা সুযোগ-সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে অর্পিত ক্ষমতা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করাকে বোঝায়। ঘুষ গ্রহণ, স্বজনপ্রীতি, দায়িত্বে অবহেলা এবং অর্থ আত্মসাৎ দুর্নীতির অন্তর্ভুক্ত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইভটিজিং বা যৌন হয়রানি নামক সামাজিক সমস্যার কথা বলা হয়েছে। এর প্রধান কারণগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

    ১. নৈতিক শিক্ষার অভাব: পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সঠিক নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে যুবসমাজের একটি অংশের মধ্যে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে।
    ২. আকাশ সংস্কৃতি ও প্রযুক্তির অপব্যবহার: অশ্লীল বিনোদন, অপসংস্কৃতি এবং ইন্টারনেটের অসৎ ব্যবহার তরুণদের কুপথে পরিচালিত করে।
    ৩. বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়: অলস সময় কাটানো, বখাটেদের সঙ্গ এবং কর্মসংস্থানের অভাব তরুণদের অপরাধপ্রবণ করে তোলে।
    ৪. আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাব: উত্ত্যক্তকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না থাকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির মতো সামাজিক ব্যাধি সমাধানে নিম্নলিখিত কার্যকর পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

    ১. আইনের কঠোর ও দ্রুত প্রয়োগ: ভ্রাম্যমাণ আদালতের (মোবাইল কোর্ট) মাধ্যমে অপরাধীদের তাৎক্ষণিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
    ২. পারিবারিকভাবে নৈতিক মূল্যবোধ গঠন: পারিবারিকভাবে সন্তানদের নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখানো এবং নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করা।
    ৩. সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা: ইভটিজিং প্রতিরোধে অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
    ৪. অপসংস্কৃতি ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ: ইন্টারনেট ও গণমাধ্যমে ক্ষতিকর এবং অশ্লীল কনটেন্ট বন্ধে সাইবার নজরদারি জোরদার করা।
    ৫. তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্তকরণ: তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও গঠনমূলক সামাজিক কাজে যুক্ত রাখা।

    সমন্বিত সামাজিক উদ্যোগ ও প্রশাসনিক কঠোরতার মাধ্যমেই এ সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন