ভূগোল এবং পরিবেশ • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৩

ভূগোল এবং পরিবেশ প্রশ্ন

নদীর গতিপথ | বৈশিষ্ট্য
R | পানি ধীর গতিতে প্রবাহিত হয়
S | নদীর প্রস্থ অনেক বেশি হয়
T | বিভিন্ন শিলা ক্ষয় করে নিয়ে যায়

  1. ক)

    পাহাড় কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় কোন ধরনের ভূমিরূপ দেখা যায়? ব্যাখ্যা করো

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'S' গতিটির বর্ণনা দাও।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের 'R' ও 'T' গতি দুটির মধ্যে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    সাধারণত সমুদ্রতল থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।

  2. খ)

    রংপুর ও দিনাজপুর জেলায় পাদদেশীয় পলল সমভূমি দেখা যায়।
    পাহাড়িয়া নদী পাহাড়ের পাদদেশে পলি সঞ্চয় করতে করতে এক সময় নতুন বিশাল সমভূমি গড়ে তোলে। উত্তরে হিমালয় থেকে উৎপন্ন তিস্তা, আত্রাই ও করতোয়া নদী পাহাড় থেকে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করেছে। তাই এই অঞ্চলের অধিকাংশ স্থান পাদদেশীয় পলল সমভূমি।

  3. গ)

    উদ্দীপকের 'S' গতিটি হলো নদীর মধ্যগতি।

    ১. পার্বত্য অঞ্চল পার হয়ে নদী যখন সমভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তাকে মধ্যগতি বলে।
    ২. এ অবস্থায় নদীর বিস্তার (প্রস্থ) ঊর্ধ্বগতির তুলনায় অনেক বেশি হয়, কিন্তু গভীরতা অনেক কমে যায়।
    ৩. এখানে নদীর সঞ্চয় কাজ শুরু হয়।
    ৪. নদীর দুদিকের নিম্নভূমি পলি দিয়ে ভরাট হয়ে প্রায় সমতলভূমিতে পরিণত হয়, যাকে প্লাবন সমভূমি বলে। বাংলাদেশের অধিকাংশ স্থান এমন প্লাবন সমভূমি।

  4. ঘ)

    'R' গতি হলো নদীর নিম্নগতি (পানি ধীরে বয়) এবং 'T' গতি হলো ঊর্ধ্বগতি (শিলা ক্ষয় করে)। এ দুটির তুলনা নিচে দেওয়া হলো।

    ১. স্রোত: ঊর্ধ্বগতিতে স্রোতের বেগ প্রবল। নিম্নগতিতে স্রোত একবারে কমে যায়।
    ২. কাজ: ঊর্ধ্বগতিতে নদী কেবল ক্ষয় করে এবং কোনো সঞ্চয় হয় না। নিম্নগতিতে নিম্নক্ষয় বন্ধ হয়ে যায়, পার্শ্বক্ষয় অল্প হয় এবং বালু ও কাদা সঞ্চিত হয়।
    ৩. উপত্যকা: ঊর্ধ্বগতিতে 'ভি' আকৃতির গভীর উপত্যকা সৃষ্টি হয়। নিম্নগতিতে উপত্যকা খুব চওড়া ও অগভীর হয়।
    ৪. অবস্থান: ঊর্ধ্বগতি পার্বত্য অঞ্চলে আর নিম্নগতি মোহনার কাছে।

    সুতরাং, স্রোত, কাজ ও উপত্যকার আকৃতিতে ঊর্ধ্বগতি ও নিম্নগতি পরস্পর বিপরীত বৈশিষ্ট্যের।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন