পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
ক' ও 'খ' দুটি সংগঠনের সদস্য। 'ক'-এর সংগঠনটি দেশের সমস্যাসমূহ চিহ্নিতপূর্বক তা সমাধানের লক্ষ্যে কিছু সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি বিভিন্ন উপায়ে জনসম্মুখে তুলে ধরে। অপরদিকে, 'খ'-এর সংগঠন গোষ্ঠীস্বার্থকে প্রাধান্য দেয় এবং তা আদায়ের লক্ষ্যে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে।
- ক)(1)
বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কোনটি?
- খ)(2)
তথ্য অধিকার বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
'ক'-এর সংগঠনটি কোন ধরনের? তার কার্যাবলি আলোচনা কর।
- ঘ)(4)
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে 'ক'-এর সংগঠনের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
তথ্য অধিকার বলতে বোঝায় জনগণের রাষ্ট্রীয় বা সরকারি ও বেসরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত যেকোনো তথ্যের নাগাল পাওয়া বা তা জানার আইনি অধিকার। নাগরিকরা যাতে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলি, নীতি ও সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানতে পারে এবং তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারে, সেজন্য এ অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন পাস হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'ক'-এর সংগঠনটি হলো একটি 'রাজনৈতিক দল' (Political Party)।
রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি রাজনৈতিক সংগঠন যা নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে গঠিত হয় এবং নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জন বা পরিচালনা করতে চায়। এর প্রধান কার্যাবলি নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও কর্মসূচি প্রণয়ন: রাজনৈতিক দল দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ও ইশতেহার প্রণয়ন করে।
২. জনমত গঠন: সভা-সমাবেশ, সেমিনার ও প্রচারণার মাধ্যমে দলটি তাদের নীতি ও কর্মসূচি জনগণের সামনে তুলে ধরে জনমত গঠন করে।
৩. প্রার্থী মনোনয়ন ও নির্বাচন পরিচালনা: দল যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
৪. সরকার গঠন ও বিরোধিতা: সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দলটি সরকার পরিচালনা করে, আর পরাজিত হলে সংসদে শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেয়।
উদ্দীপকের 'ক'-এর সংগঠনটি দেশের সমস্যা চিহ্নিত করে জনসম্মুখে কর্মসূচি তুলে ধরে, যা রাজনৈতিক দলের অন্যতম প্রধান কাজ। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় 'ক'-এর সংগঠন অর্থাৎ 'রাজনৈতিক দলের' ভূমিকা অত্যন্ত অপরিহার্য ও অনস্বীকার্য। বস্তুত, রাজনৈতিক দল ছাড়া আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র কল্পনা করা যায় না।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলের প্রধান ভূমিকাগুলো নিম্নরূপ:
১. জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতকরণ: রাজনৈতিক দল সাধারণ নাগরিক এবং সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে। তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও দাবি-দাওয়া সরকারের নীতিতে রূপান্তর করতে কাজ করে।
২. সরকারের স্থিতিশীলতা ও বিকল্প সরকার গঠন: নির্বাচনে জয়ী দল দেশ পরিচালনা করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। অন্যদিকে, বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে স্বৈরাচারী হওয়া রোধ করে এবং যেকোনো সময় বিকল্প সরকার গঠনের জন্য প্রস্তুত থাকে।
৩. রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টি: নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল নাগরিকদের অধিকার, দায়িত্ব ও দেশীয় রাজনীতির বিষয়ে সচেতন করে তোলে।
৪. শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর: নির্বাচনের মাধ্যমে রক্তপাতহীন ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রক্ষমতা হস্তান্তরে রাজনৈতিক দল প্রধান ভূমিকা রাখে।অতএব, একটি সচল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা অনবদ্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও