অর্থনীতি ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
অর্থনীতি ১ম পত্র প্রশ্ন
দ্রব্যের দাম (P)(টাকা) | চাহিদার পরিমাণ(Qd) (একক) | যোগানের পরিমাণ(Qs) (একক)
১০ | ৩০০ | ১০০
২০ | ২০০ | ২০০
৩০ | ১০০ | ৩০০
- ক)(1)
চাহিদার সংকোচন কী?
- খ)(2)
যোগান রেখা কি সর্বদা ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী হয়?
- গ)(3)
উদ্দীপকের আলোকে ভারসাম্য দাম ও পরিমাণ চিত্রে দেখাও।
- ঘ)(4)
১০ টাকা ও ৩০ টাকা দামে বাজার পরিস্থিতির ওপর মন্তব্য করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
অন্যান্য অবস্থা অপরিবর্তিত থেকে কোনো দ্রব্যের নিজস্ব দাম বৃদ্ধির ফলে যদি তার চাহিদার পরিমাণ হ্রাস পায়, তবে তাকে চাহিদার সংকোচন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
না, যোগান রেখা সর্বদা ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী হয় না। সাধারণ দ্রব্যের ক্ষেত্রে দাম ও যোগানের মধ্যে সমমুখী সম্পর্কের কারণে যোগান রেখা ডানদিকে ঊর্ধ্বগামী হলেও এর কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। যেমন—শ্রমের যোগান রেখা একটি নির্দিষ্ট মজুরির পর পেছনের দিকে বা বামদিকে বেঁকে যায় (পশ্চাৎমুখী হয়)। এছাড়াও দুষ্প্রাপ্য দ্রব্য, নিলামি দ্রব্য বা প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতাযুক্ত দ্রব্যের ক্ষেত্রে যোগান রেখা উল্লম্ব (লম্ব অক্ষের সমান্তরাল) হতে পারে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের সূচিতে দেখা যায়, ২০ টাকা দামে চাহিদার পরিমাণ () এবং যোগানের পরিমাণ () উভয়ই ২০০ একক, অর্থাৎ । সুতরাং ভারসাম্য দাম হলো ২০ টাকা এবং ভারসাম্য পরিমাণ হলো ২০০ একক।
চিত্রাঙ্কন ও ব্যাখ্যা:
১. অক্ষে স্থাপন: ভূমি অক্ষে চাহিদা ও যোগানের পরিমাণ এবং লম্ব অক্ষে দ্রব্যের দাম নির্দেশ করা হলো।
২. চাহিদা রেখা (): দাম ১০, ২০ ও ৩০ টাকার বিপরীতে চাহিদার পরিমাণ যথাক্রমে ৩০০, ২০০ ও ১০০ একক। এই বিন্দুগুলো যোগ করে নিম্নগামী চাহিদা রেখা পাওয়া যায়।
৩. যোগান রেখা (): দাম ১০, ২০ ও ৩০ টাকার বিপরীতে যোগানের পরিমাণ যথাক্রমে ১০০, ২০০ ও ৩০০ একক। এই বিন্দুগুলো যোগ করে ঊর্ধ্বগামী যোগান রেখা পাওয়া যায়।
৪. ভারসাম্য বিন্দু (): চাহিদা রেখা () এবং যোগান রেখা () পরস্পর বিন্দুতে ছেদ করে। এই বিন্দু থেকে লম্ব অক্ষে টানলে ভারসাম্য দাম পাওয়া যায় ২০ টাকা এবং ভূমি অক্ষে টানলে ভারসাম্য পরিমাণ পাওয়া যায় ২০০ একক। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে ১০ টাকা ও ৩০ টাকা দামে বাজার পরিস্থিতি নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. ১০ টাকা দামে বাজার পরিস্থিতি:
১০ টাকা দামে দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ () হলো ৩০০ একক এবং যোগানের পরিমাণ () হলো ১০০ একক। এখানে চাহিদার পরিমাণ যোগানের পরিমাণের চেয়ে বেশি (), অর্থাৎ বাজারে ২০০ একক () দ্রব্যের ঘাটতি বা অতিরিক্ত চাহিদা (Excess Demand) বিরাজ করছে। বাজারে ক্রেতাদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, যার ফলে বিক্রেতারা দাম বাড়াতে উৎসাহিত হবে। দাম বৃদ্ধি পেয়ে একপর্যায়ে ভারসাম্য দাম ২০ টাকায় ফিরে আসবে।২. ৩০ টাকা দামে বাজার পরিস্থিতি:
৩০ টাকা দামে দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ () হলো ১০০ একক এবং যোগানের পরিমাণ () হলো ৩০০ একক। এখানে যোগানের পরিমাণ চাহিদার পরিমাণের চেয়ে বেশি (), অর্থাৎ বাজারে ২০০ একক () দ্রব্যের উদ্বৃত্ত বা অতিরিক্ত যোগান (Excess Supply) দেখা দিয়েছে। বিক্রেতাদের অবিক্রীত পণ্য বিক্রি করার জন্য তারা নিজেদের মধ্যে দাম কমানোর প্রতিযোগিতা শুরু করবে। ফলে দাম হ্রাস পেয়ে পুনরায় ভারসাম্য দাম ২০ টাকায় পৌঁছাবে।মন্তব্য: ১০ টাকা দামে বাজারে 'ঘাটতি বা অতিরিক্ত চাহিদা' এবং ৩০ টাকা দামে বাজারে 'উদ্বৃত্ত বা অতিরিক্ত যোগান' পরিস্থিতি তৈরি হয়। বাজার ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয় শক্তি এই ভারসাম্যহীন অবস্থা দূর করে ভারসাম্য দামে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও