অর্থনীতি ২য় পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

Y দেশে ২০১১ সালে ভোক্তার মূল্যসূচক ছিল ১১৫। ২০১৬ সালে ভোক্তার মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ হয়। দেশটির সরকার ব্যয় হ্রাস, অর্থের যোগান হ্রাস, ব্যাংক হার বৃদ্ধি, নগদ জমার হার বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

  1. ক)

    সূচক সংখ্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    মুদ্রাস্ফীতির ফলে ঋণদাতা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে মুদ্রাস্ফীতির হার নির্ণয় করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ নিয়ন্ত্রণে কতটুকু সফল হবে বলে তুমি মনে কর?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বা স্থানভেদে কোনো নির্দিষ্ট চলক বা চলক সমষ্টির পরিবর্তনের আপেক্ষিক পরিমাপকে সূচক সংখ্যা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বা মূল্য হ্রাস পায়। ঋণদাতা যখন নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ঋণ দেন, তখন সেই অর্থের ক্রয়ক্ষমতা বেশি থাকে। কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির কারণে পরবর্তীতে ঋণের মূল অর্থ ও সুদ ফেরত পাওয়ার সময় অর্থের মান কমে যায়। ফলে ঋণগ্রহীতা বাস্তব মূল্যের দিক থেকে কম ফেরত দেয় এবং ঋণদাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী,
    ভিত্তি বছর (২০১১)-এর ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI0CPI_0) = ১১৫
    চলতি বছর (২০১৬)-এর ভোক্তা মূল্যসূচক (CPI1CPI_1) = ২৫০

    মুদ্রাস্ফীতির হার (IRIR) নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
    IR=CPI1−CPI0CPI0×১০০IR = \frac{CPI_1 - CPI_0}{CPI_0} \times ১০০

    মান বসিয়ে পাই,
    IR=২৫০−১১৫১১৫×১০০IR = \frac{২৫০ - ১১৫}{১১৫} \times ১০০
    =১৩৫১১৫×১০০= \frac{১৩৫}{১১৫} \times ১০০
    ≈১১৭.৩৯%\approx ১১৭.৩৯\%

    অতএব, উদ্দীপকের তথ্যের ভিত্তিতে দেশটির মুদ্রাস্ফীতির হার ১১৭.৩৯%।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে Y দেশের সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে তা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত সফল হবে বলে আমি মনে করি।

    কারণসমূহ নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:
    ১. সংকোচনমূলক রাজস্ব নীতি: সরকার ব্যয় হ্রাস করার মাধ্যমে সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস পায়, যা অতিরিক্ত চাহিদা সৃষ্ট মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
    ২. সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি: অর্থের যোগান হ্রাস, ব্যাংক হার বৃদ্ধি এবং নগদ জমার হার বৃদ্ধির ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণ সৃষ্টির ক্ষমতা হ্রাস পাবে। ফলে জনগণের হাতে নগদ টাকার প্রবাহ কমবে এবং সামগ্রিক ব্যয় হ্রাস পাবে।
    ৩. উৎপাদন বৃদ্ধি: দ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধির পদক্ষেপ গ্রহণ করায় বাজারে পণ্যের যোগান বৃদ্ধি পাবে, যা মূল্যস্তর কমাতে সরাসরি ভূমিকা রাখবে।

    সুতরাং, চাহিদা সংকোচনকারী ব্যবস্থা এবং যোগান বৃদ্ধিকারী ব্যবস্থার যুগপৎ প্রয়োগের কারণে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট সফল হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন