‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • মূল্যবোধ, আইন, স্বাধীনতা ও সাম্য • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ • ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৪

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

বিবেক এমন একটি আয়না যার মধ্যে তুমি তোমার সকল কাজের প্রতিবিম্ব দেখতে পাবে। বিবেকের চেয়ে বড় উপদেশদাতা আর নেই। এই মানসিক ভাবনা তোমার বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করবে। অন্যের যে আচরণ দেখলে তোমার মধ্যে ঘৃণার সৃষ্টি হয়, তোমার নিজের সংশোধনের জন্যে সেগুলো নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করাই যথেষ্ট।

  1. ক)

    সাম্য কী?

    (1)
  2. খ)

    "প্রচলিত প্রথা আইনের প্রাচীন উৎস"- ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে?

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের বিষয়টি সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে সহায়ক-বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সাম্য বলতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেণি নির্বিশেষে সমাজের সকল নাগরিকের সমান সুযোগ-সুবিধা লাভ এবং বৈষম্যহীন অধিকার ভোগের অবস্থাকে বোঝায়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    "প্রচলিত প্রথা আইনের প্রাচীন উৎস"—কারণ মানব সমাজের প্রাথমিক পর্যায়ে লিখিত কোনো আইন ছিল না; দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা সামাজিক আচার-আচরণ, বিশ্বাস ও রীতিনীতিই সমাজ নিয়ন্ত্রণ করত।

    সমাজের মানুষ যুগ যুগ ধরে প্রচলিত এসব রীতিনীতিকে নিয়ম হিসেবে মেনে চলত। পরবর্তীতে রাষ্ট্র ও সরকারের উদ্ভব হলে রাষ্ট্র এই দীর্ঘদিনের প্রথাগুলোকে স্বীকৃতি ও অনুমোদন দেয় এবং তা আনুষ্ঠানিকভাবে আইনে রূপান্তরিত হয়। যেমন—যুক্তরাজ্যের সাধারণ আইন (Common Law) মূলত প্রাচীন প্রথা ও ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে আমার পাঠ্যবইয়ের পৌরনীতি ও সুশাসন বিষয়ের 'নৈতিকতা' বা 'নৈতিক মূল্যবোধ' বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে।

    নৈতিকতা মানুষের অভ্যন্তরীণ মানসিক বিবেকবোধ ও ভালো-মন্দের অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত। এটি মানুষের ভেতরের একটি মানসিক আদালত, যা মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত রেখে সৎ পথে চলতে অনুপ্রাণিত করে।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিবেক একটি আয়না যেখানে সব কাজের প্রতিবিম্ব দেখা যায় এবং বিবেকের চেয়ে বড় উপদেশদাতা আর নেই। এই মানসিক ভাবনা ব্যক্তির বাহ্যিক আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। পাঠ্যবইয়ের আলোচনা অনুযায়ী, নৈতিকতার মূল ভিত্তি হলো মানুষের বিবেক ও ন্যায়বোধ। বিবেকবোধ থেকেই জন্ম নেয় নৈতিক দায়িত্ব ও আচরণ, যা উদ্দীপকের বক্তব্যের মূল ভাব নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে নির্দেশিত নৈতিকতা সুশৃঙ্খল, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে প্রধান ও অপরিহার্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

    কেবলমাত্র লিখিত আইন বা পুলিশি ব্যবস্থা দিয়ে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা যায় না, যদি না নাগরিকদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ নৈতিকতা জাগ্রত থাকে। নৈতিকতা হলো ব্যক্তির অন্তর্নিহিত নিয়ন্ত্রক শক্তি।

    উদ্দীপকে বলা হয়েছে, ব্যক্তির বিবেকবোধ তার বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং অন্যের খারাপ আচরণ দেখে নিজের সংশোধনের তাগিদ অনুভব করায়। সমাজে যখন নৈতিকতার চর্চা থাকে, তখন মানুষ পরস্পরের অধিকার ও মর্যাদাকে সম্মান জানায়। চুরি, দুর্নীতি, প্রতারণা, হিংসা ও অবিচার থেকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে দূরে থাকে। নৈতিকতাবোধের ফলে নাগরিকরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, নিজ নিজ সামাজিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করে এবং দুর্বলদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়। এতে সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়, যা সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের পূর্বশর্ত।

    অতএব, নৈতিকতার সঠিক বিকাশ ব্যতিরেকে একটি আদর্শ, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠন অসম্ভব।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন