‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা কত?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে প্রশ্নচিহ্নিত '?' স্থানে কোন প্রতিষ্ঠানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? এর গঠন ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উক্ত প্রতিষ্ঠানের কার্যপ্রণালী বর্ণনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি (৩০০টি সাধারণ আসন এবং ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের দ্বারা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ মোতাবেক জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। সংসদ সদস্যরা তাদের মধ্য থেকে অথবা সংসদের সদস্য হওয়ার যোগ্য যেকোনো নাগরিককে একক হস্তান্তরযোগ্য গোপন ব্যালট পেপারের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রশ্নচিহ্নিত '?' স্থানে 'নির্বাচন কমিশন' (Election Commission)-কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। কারণ উদ্দীপকে ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে, যা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও বৈশিষ্ট্য।

    নির্বাচন কমিশনের গঠন:
    বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের কার্যকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত প্রতিষ্ঠানটি হলো 'নির্বাচন কমিশন'। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ কার্যপ্রণালী সম্পাদন করে। নিচে নির্বাচন কমিশনের প্রধান প্রধান কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:

    ১. ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও তত্ত্বাবধান: নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে এবং তা হালনাগাদ ও তত্ত্বাবধান করে।

    ২. নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ: দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও পুনর্বিন্যাস করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম কাজ।

    ৩. নির্বাচন অনুষ্ঠান: নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন (যেমন- সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ) পরিচালনা করে।

    ৪. তফসিল ঘোষণা ও মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই: নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল ঘোষণা, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ, বাছাই এবং বৈধ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয় কমিশন।

    ৫. নির্বাচনী আচরণবিধি প্রণয়ন ও প্রয়োগ: সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য আচরণবিধি প্রণয়ন এবং তা প্রয়োগ নিশ্চিত করে। আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

    ৬. নির্বাচন ফলাফল প্রকাশ: ভোটগ্রহণ শেষে আইনানুযায়ী ভোট গণনা পর্যবেক্ষণ এবং সরকারিভাবে নির্বাচিতদের ফলাফল ও গেজেট প্রকাশ করে।

    পরিশেষে বলা যায়, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যপ্রণালী পরিচালনা করে দেশে গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন