পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • রাজনৈতিক দল, নেতৃত্ব ও সুশাসন • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা • আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মারুফ বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত। তার মতে, এ নেতা তাঁর কোমল চরিত্র, প্রয়োজনবোধে কঠোরতা, সাহস ও দৃঢ় মনোবল দিয়ে দেশের ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। বাঙালির আন্দোলন সংগ্রামের অংশীদার এ নেতা এ জাতি স্রষ্টা। তিনি মরেও অমর।
- ক)(1)
বাংলাদেশে কোন ধরনের দল ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে?
- খ)(2)
দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলতে কী বোঝ?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে যে গুণাবলি লক্ষ করা যায় সেগুলো কিসের গুণাবলি? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
তুমি কি মনে কর সুশাসন প্রতিষ্ঠায় উদ্দীপকের গুণাবলীগুলোই যথেষ্ট? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশে বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে দলীয় ব্যবস্থায় প্রধানত দুটি রাজনৈতিক দল সক্রিয় থাকে এবং পালাক্রমে সরকার গঠন করে, তাকে দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা বলে।
এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রে অন্যান্য ছোট রাজনৈতিক দল থাকতে পারে, তবে ক্ষমতায় যাওয়ার বা সরকার গঠনের প্রতিযোগিতা মূলত দুটি প্রধান দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। যেমন—যুক্তরাজ্যে কনজারভেটিভ ও লেবার পার্টি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান পার্টি। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে যে গুণাবলি লক্ষ করা যায়, সেগুলো হলো একজন আদর্শ রাজনৈতিক নেতার নেতৃত্বের গুণাবলি।
যিনি কোনো দল, সমাজ বা রাষ্ট্রের নেতৃত্ব প্রদান করেন এবং অনুসারীদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত করেন, তিনিই নেতা। নেতার এই দিকনির্দেশনামূলক বৈশিষ্ট্যই নেতৃত্ব। উদ্দীপকে বর্ণিত নেতার কোমল চরিত্র, সাহসিকতা, দৃঢ় মনোবল এবং জাতির ক্রান্তিলগ্নে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। বঙ্গবন্ধুর এই চারিত্রিক গুণাবলি হলো সংবেদনশীলতা, দূরদর্শিতা, আপসহীনতা ও ক্যারিশম্যাটিক বা সম্মোহনী নেতৃত্বের বহিঃপ্রকাশ, যা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জনে উদ্বুদ্ধ করেছিল। অতএব, উদ্দীপকের গুণাবলিগুলো মূলত সার্থক ও সফল নেতৃত্বের গুণাবলি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
না, আমি মনে করি সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কেবল উদ্দীপকে উল্লিখিত নেতৃত্বের গুণাবলিই যথেষ্ট নয়; বরং এর সাথে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত শর্তের সমন্বয় আবশ্যক।
উদ্দীপকে একজন নেতার মানবিকতা, সাহস, দৃঢ় মনোবল এবং সংকটকালে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গুণের কথা বলা হয়েছে। এগুলো সুশাসনের পথ সুগম করতে সাহায্য করে এবং নেতৃত্বকে জনকল্যাণমুখী করে তোলে। তবে সুশাসন কেবল ব্যক্তির গুণাবলির ওপর নির্ভর করে না; এটি একটি সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, নাগরিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের নিশ্চয়তা অপরিহার্য। পাশাপাশি স্বাধীন বিচার বিভাগ, নিরপেক্ষ ও কার্যকর প্রশাসন, দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সুতরাং, একজন নেতার বলিষ্ঠ গুণাবলি সুশাসন অর্জনে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করলেও সার্বিক সুশাসন নিশ্চিত করতে আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর কার্যকর বাস্তবায়ন আবশ্যক।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও