ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং • Sylhet Board • সিলেট বোর্ড ২০২৩

ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং প্রশ্ন

রত্না ফুডস এন্ড বেভারেজ কো. লি.-এর ব্যবস্থাপক ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পাদনের জন্য একটি হিসাব খুলতে চাইলে ব্যাংক তাদেরকে একটি ফর্ম পূরণসহ বেশ কিছু কাগজপত্র সংযুক্ত করতে বলে। এছাড়া কোম্পানিটি কিছুদিন পর ঐ ব্যাংক থেকে একটি ইলেকট্রনিক কার্ড গ্রহণ করে যার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাকিতে মালামাল ক্রয় করা যায়।

  1. ক)

    মোবাইল ব্যাংকিং কী?

    (1)
  2. খ)

    ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার 'ইজারা' সেবা ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    রত্না ফুডস এন্ড বেভারেজ কো. লি.-কে হিসাব খোলার জন্য কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের কপি সংযুক্ত করা প্রয়োজন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    রত্না ফুডস এন্ড বেভারেজ কো. লি.-এর জন্য উদ্দীপকের ইলেকট্রনিক সেবাটি গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকে হিসাব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই- তুমি কি এর সাথে একমত? যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব পরিচালনা, অর্থ স্থানান্তর ও বিল পরিশোধের মতো ব্যাংকিং সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে মোবাইল ব্যাংকিং বলে।

  2. খ)

    ইজারা ইসলামী ব্যাংকিংয়ের একটি বিনিয়োগ পদ্ধতি, যা ভাড়াভিত্তিক ক্রয়ের মতো।

    এ পদ্ধতিতে ব্যাংক গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী কোনো সম্পদ (যেমন যন্ত্রপাতি) কিনে নির্দিষ্ট ভাড়ায় নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য গ্রাহককে ব্যবহার করতে দেয়। গ্রাহক কিস্তিতে ভাড়া পরিশোধ করেন এবং মেয়াদ শেষে সম্পদের মালিকানা গ্রাহকের হয়ে যায়।

  3. গ)

    রত্না ফুডস এন্ড বেভারেজ কো. লি. একটি কোম্পানি। কোম্পানির নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হলে ফর্ম পূরণের পাশাপাশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের কপি জমা দিতে হয়।

    ১. সংঘস্মারক ও সংঘবিধি (Memorandum and Articles of Association): কোম্পানির উদ্দেশ্য, কার্যক্রম ও পরিচালনার নিয়ম জানার জন্য।
    ২. নিবন্ধন সনদ (Certificate of Incorporation): কোম্পানি আইনত নিবন্ধিত কি না, তা যাচাইয়ের জন্য।
    ৩. পরিচালক পর্ষদের সিদ্ধান্ত: হিসাব খোলা ও পরিচালনার জন্য কর্তৃত্ব প্রদানের প্রমাণ হিসেবে।
    ৪. ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন: ব্যবসা পরিচালনার বৈধতা প্রমাণের জন্য।
    ৫. স্বাক্ষর প্রদানকারী ব্যক্তিদের পরিচয়পত্র ও নমুনা স্বাক্ষর।

    এসব কাগজপত্র দেখে ব্যাংক হিসাব খোলাকারীর পরিচয় ও বৈধতা নিশ্চিত হয়।

  4. ঘ)

    উদ্দীপকের ইলেকট্রনিক কার্ডটির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বাকিতে মালামাল কেনা যায়। এটি ক্রেডিট কার্ড। ক্রেডিট কার্ড গ্রহণের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই—এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।

    ১. ঋণভিত্তিক কার্ড: ক্রেডিট কার্ডে ব্যাংক গ্রাহককে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত বাকিতে কেনাকাটার সুযোগ দেয়। তাই এ কার্ড প্রদানের সময় ব্যাংক জমাকৃত টাকার বদলে গ্রাহকের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য বিবেচনা করে।
    ২. শর্ত ভিন্ন: ডেবিট কার্ডের জন্য ব্যাংক হিসাব থাকা অপরিহার্য, কারণ তাতে নিজের জমা টাকাই খরচ করা হয়। কিন্তু ক্রেডিট কার্ডে ব্যাংকের দেওয়া ঋণসীমা ব্যবহার করা হয়।
    ৩. ব্যাংকের যাচাই: ব্যাংক আবেদনকারীর আয়, পেশা ও আর্থিক অবস্থা যাচাই করে কার্ড ইস্যু করে।

    তবে ব্যাংকের সাথে আগে থেকে হিসাব থাকলে কার্ড পাওয়া সহজ হয়, যদিও তা বাধ্যতামূলক নয়।

    সুতরাং, ক্রেডিট কার্ড গ্রহণে ব্যাংক হিসাব থাকার বাধ্যবাধকতা নেই।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন