ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২১
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. হালদার বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের সবলতা ও দুর্বলতা বিশ্লেষণ করে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। কাজগুলোকে কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী পৃথক করে নেন। সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরকে ভিন্ন ভিন্ন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত করেন। সঠিক ব্যক্তি সঠিক স্থানে থাকার কারণে তার প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
- ক)(1)
শিল্পবিপ্লব কোথায় সংঘটিত হয়?
- খ)(2)
"ব্যবস্থাপনা সার্বজনীন”- ব্যাখ্যা কর।
- গ)(3)
মি. হালদার ব্যবস্থাপনার কোন স্তরের প্রতিনিধিত্ব করেছেন? ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর অনুসরণই মি, হারদার এর প্রতিষ্ঠানে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মূল কারণ" - তুমি কি একমত? যুক্তিসহ মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শিল্পবিপ্লব সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে বা গ্রেট ব্রিটেনে (ইংল্যান্ডে) সংঘটিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
"ব্যবস্থাপনা সার্বজনীন"—কথাটির অর্থ হলো পরিবারের মতো ক্ষুদ্র সামাজিক সংগঠন থেকে শুরু করে বৃহৎ ব্যবসায়িক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক বা আন্তর্জাতিক সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানেই ব্যবস্থাপনার মৌলিক নীতি ও প্রক্রিয়া সমানভাবে প্রযোজ্য। প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস প্রথম ব্যবস্থাপনাকে সার্বজনীন হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। লক্ষ্য অর্জন, সম্পদের কার্যকর ব্যবহার ও দলগত প্রচেষ্টার সমন্বয় সাধনের জন্য যেকোনো মানবীয় সংগঠনেই পরিকল্পনা, সংগঠন, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণের মতো ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম অপরিহার্য। তাই সর্বক্ষেত্রে এর অপরিহার্যতা ও উপস্থিতির কারণে ব্যবস্থাপনাকে সার্বজনীন বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মি. হালদার ব্যবস্থাপনার শীর্ষ স্তরের (Top-level management) প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অবস্থানরত যে ব্যক্তিবর্গ সামগ্রিক লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা নির্ধারণ করেন, তারা শীর্ষ পর্যায়ের ব্যবস্থাপক হিসেবে গণ্য হন। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করাই তাদের প্রধান কাজ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. হালদার বছরের শুরুতে পুরো প্রতিষ্ঠানের সবলতা ও দুর্বলতা বিশ্লেষণ (SWOT analysis-এর অংশ) করেন এবং বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেন। এছাড়া তিনি কাজগুলোকে প্রকৃতি অনুযায়ী বিভক্ত করে যোগ্য ব্যক্তিদের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত করেন। এই ধরনের সামগ্রিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাঠামোগত বিভাজনের মূল সিদ্ধান্তগুলো উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণই নিয়ে থাকেন। সুতরাং, মি. হালদার ব্যবস্থাপনার শীর্ষ স্তরের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত যে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর কার্যকর অনুসরণই মি. হালদারের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের মূল কারণ।
যে সংগঠন কাঠামোতে কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন বিভাগে ভাগ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট কাজের দায়িত্ব নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত করা হয়, তাকে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামো বলে। এতে শ্রমবিভাজন ও বিশেষায়নের পূর্ণ সুবিধা অর্জিত হয়।
উদ্দীপকে মি. হালদার প্রতিষ্ঠানের কাজগুলোকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী পৃথক করেন এবং সংশ্লিষ্ট কাজে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরকে ভিন্ন ভিন্ন বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত করেন। এর ফলে 'সঠিক ব্যক্তি সঠিক স্থানে' (Right person in the right place) প্রতিষ্ঠিত হয়, যা কার্যভিত্তিক সংগঠনের মূল প্রতিপাদ্য। বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের দিয়ে বিভাগগুলো পরিচালিত হওয়ায় কাজের অপচয় হ্রাস পায় এবং দক্ষতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর সফলভাবে বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পেরেছে।
অতএব, কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভাজন ও বিশেষজ্ঞদের ওপর দায়িত্ব অর্পণের মাধ্যমে কার্যভিত্তিক সংগঠন কাঠামোর যথাযথ বাস্তবায়নই মি. হালদারের প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও