‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০২২

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

জনাব আশরাফ আলী একজন সিনিয়র আইনজীবী। তিনি যে কোনো আদালতে বক্তব্য পেশ করতে পারেন। সরকারের পক্ষে আইনের জটিল প্রশ্নের মতামত দেন। তার কর্মকাণ্ডের ওপর সরকারের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। তবে অসদাচরণের কারণে তাকে অপসারণ করা যায়।

  1. ক)

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    কীভাবে সরকারি কর্ম কমিশনের যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আশরাফ আলীর পদের সাথে তোমার পঠিত কোন সাংবিধানিক পদের মিল আছে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত পদের ভূমিকা মূল্যায়ন কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব প্রতিষ্ঠান দেশের সংবিধানের নির্দিষ্ট বিধি বা অনুচ্ছেদের অধীনে গঠিত হয় এবং পরিচালিত হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) একটি সুনির্দিষ্ট ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের কর্মে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করে থাকে। কমিশন বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদন আহ্বান করে প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) পরীক্ষা, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীদের মেধা, জ্ঞান, মানসিক দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব যাচাই করে। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে যোগ্য প্রার্থীদের সরকারের কাছে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত আশরাফ আলীর পদের সাথে আমার পঠিত সাংবিধানিক পদ 'অ্যাটর্নি জেনারেল'-এর মিল রয়েছে।

    বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি হলেন সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা। অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন এবং আইনের জটিল বিষয়ে সরকারকে আইনগত পরামর্শ প্রদান করেন।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, আশরাফ আলী একজন সিনিয়র আইনজীবী যিনি যেকোনো আদালতে বক্তব্য পেশ করতে পারেন, সরকারের পক্ষে জটিল আইনি প্রশ্নে মতামত দেন এবং যার কর্মকাণ্ডের ওপর সরকারের ভাবমূর্তি নির্ভর করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো সরাসরি অ্যাটর্নি জেনারেল পদের সাথে সংগতিপূর্ণ। সুতরাং, জনাব আশরাফ আলীর পদটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদের প্রতিচ্ছবি।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর।

    অ্যাটর্নি জেনারেল কেবল সরকারের আইনজীবী নন, বরং তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনি অভিভাবক হিসেবে বিচার প্রশাসনে আদালতকে সহায়তা করেন। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার প্রধান ভূমিকাগুলো নিম্নরূপ:
    ১. আইনি পরামর্শ প্রদান: সরকার কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন নীতি, নির্বাহী আদেশ এবং প্রণীত আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিশ্চিত করার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারকে সঠিক আইনি পরামর্শ দেন, যা সরকারকে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা দেয়।
    ২. সরকারের আইনি প্রতিরক্ষা ও জবাবদিহিতা: সরকারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত মামলায় বা রিট পিটিশনে অ্যাটর্নি জেনারেল সংবিধানের যথাযথ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন এবং সংবিধান ও আইনের মর্যাদা রক্ষা করেন।
    ৩. আদালতকে নিরপেক্ষ সহায়তা (এমিকাস কিউরি): জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোনো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নে তিনি নিরপেক্ষভাবে সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধান ও আইনের সঠিক ব্যাখ্যা দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন।
    ৪. মানবাধিকার রক্ষা: আইনবহির্ভূত পদক্ষেপ থেকে প্রশাসনকে বিরত থাকতে পরামর্শ দিয়ে তিনি আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষায় ভূমিকা রাখেন।

    অতএব, নিরপেক্ষ ও দক্ষ অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের কর্মকাণ্ডকে সংবিধানের সীমার মধ্যে রেখে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন