‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

'P' দেশের সংবিধান গণপরিষদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সংবিধানটির প্রকৃতি হলো লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয়।এ সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ রয়েছে এবং এককেন্দ্রিক ও সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের কথা বলা হয়েছে।

  1. ক)

    প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের 'P' দেশের সংবিধানের সাথে তোমার পঠিত কোন দেশের সংবিধানের মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলি এবং তৎসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য সংবিধান অনুযায়ী গঠিত বিশেষ আদালতকে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সংবিধানে মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নাগরিকদের মানবিক মর্যাদা ও স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা প্রদান করে।
    সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকলে রাষ্ট্র বা সরকার চাইলেই নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হরণ করতে পারে না। কোনো অধিকার লঙ্ঘিত হলে নাগরিকরা আদালতের শরণাপন্ন হয়ে তা বলবৎ করতে পারেন। ফলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শাসকের স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করা সম্ভব হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'P' দেশের সংবিধানের সাথে বাংলাদেশের সংবিধানের হুবহু মিল রয়েছে।

    বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালে গণপরিষদের মাধ্যমে রচিত ও গৃহীত হয়। আমাদের সংবিধান একটি লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় দলিল। এছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ তৃতীয় ভাগে সুস্পষ্টভাবে সন্নিবেশিত রয়েছে এবং এতে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্রকাঠামো ও সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে। উদ্দীপকের 'P' দেশের সংবিধানের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের সাথেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ মিল বিদ্যমান।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত সংবিধানটির (বাংলাদেশের সংবিধান) মূল বৈশিষ্ট্যগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. গণপরিষদ কর্তৃক রচিত: বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালে নির্বাচিত গণপরিষদের সদস্যদের দ্বারা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত হয়।
    ২. লিখিত ও দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান: এটি একটি লিখিত দলিল। সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছাড়া এই সংবিধানের কোনো বিধান সংশোধন করা যায় না, তাই এটি দুষ্পরিবর্তনীয়।
    ৩. মৌলিক অধিকারের সন্নিবেশ: সংবিধানের তৃতীয় ভাগে নাগরিকের বাকস্বাধীনতা, চলাফেরার স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতাসহ মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত এবং এর সুরক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
    ৪. এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা: সংবিধানে বাংলাদেশকে একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কোনো প্রাদেশিক সরকার নেই।
    ৫. সংসদীয় বা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার: সংবিধানে ওয়েস্টমিনস্টার ধাঁচের সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা আইনসভার নিকট যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকে।

    পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে সংবিধানটি একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা নির্দেশ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন