যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যায় শব্দকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?

    (1)
  2. খ)

    'অন্ধ' পদটি কোন ধরনের পদ? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে নির্দেশিত বিষয়টির পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা আছে কি? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যায় শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: (১) পদযোগ্য শব্দ, (২) সহ-পদযোগ্য শব্দ এবং (৩) পদ-অযোগ্য শব্দ।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    'অন্ধ' পদটি একটি সুবিধাবঞ্চিত বা অভাববোধক (Privative) পদ।

    যে পদ দ্বারা কোনো বস্তুর স্বাভাবিক বা প্রত্যাশিত গুণের অনুপস্থিতি বা অভাব বোঝানো হয়, তাকে অভাববোধক পদ বলে। চোখের দৃষ্টিশক্তি মানুষের একটি স্বাভাবিক গুণ। 'অন্ধ' পদটি দিয়ে সেই দৃষ্টিশক্তির অনুপস্থিতি বা অভাব নির্দেশ করা হয়। তাই এটি একটি অভাববোধক পদ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে যুক্তিবিদ্যার পদের 'ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়ম' নির্দেশ করা হয়েছে।

    একটি পদের গুণের দিককে জাত্যর্থ এবং পরিমাণের দিককে ব্যক্ত্যর্থ বলে। জাত্যর্থ ও ব্যক্ত্যর্থের সম্পর্ক বিপরীতমুখী। উদ্দীপকের চিত্রটিতে দেখা যায়:
    ১. বাম পাশের চিত্রে স্বাস্থ্যবিধির পরিধি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে (যেমন: শুধু সামাজিক দূরত্ব < মাস্ক পরিধান + সামাজিক দূরত্ব < মাস্ক পরিধান + সামাজিক দূরত্ব + নিয়মিত হাত ধোয়া)। অর্থাৎ এখানে গুণের মাত্রা বা জাত্যর্থ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
    ২. এর ফলে ডান পাশের চিত্রে সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে (৪০০০ > ১৮০০ > ৮৫০)। অর্থাৎ ব্যক্ত্যর্থ বা আক্রান্তের ব্যাপ্তি সংকুচিত হচ্ছে।

    সুতরাং, জাত্যর্থ বৃদ্ধি পেলে ব্যক্ত্যর্থ হ্রাস পায়—উদ্দীপকে স্বাস্থ্যবিধি ও সংক্রমণের হ্রাস-বৃদ্ধির মাধ্যমে পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের এই বিপরীতমুখী নিয়মটিকেই নির্দেশ করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকে নির্দেশিত পদের ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী হ্রাস-বৃদ্ধির পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা বা ব্যতিক্রম রয়েছে।

    যুক্তিবিদ্যায় ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীত অনুপাতের নিয়মটি সর্বজনীন ও শর্তহীন নয়। এর প্রধান সীমাবদ্ধতাগুলো নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. শ্রেণিবাচক পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য: এই নিয়মটি কেবল শ্রেণিবাচক বা সাধারণ পদের ক্ষেত্রে সত্য। একক পদ বা বিশিষ্ট পদের ক্ষেত্রে এটি খাটে না।
    ২. নির্দিষ্ট পদের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা: একটি নির্দিষ্ট পদের ক্ষেত্রে যদি ব্যক্ত্যর্থ বৃদ্ধি পায়, তবে জাত্যর্থ আপনাআপনি কমে যায় না; একইভাবে জাত্যর্থ বাড়ালে ব্যক্ত্যর্থ আপনাআপনি কমে না, যদি না পদটিকে তার উচ্চতর বা নিম্নতর শ্রেণির সাথে সম্পর্কিত করা হয়।
    ৩. অর্থহীন বা কাল্পনিক পদ: যেসব পদের কোনো বাস্তব ব্যক্ত্যর্থ নেই (যেমন: 'আকাশকুসুম', 'সোনার পাথরবাটি'), তাদের ক্ষেত্রে জাত্যর্থ পরিবর্তন করলেও ব্যক্ত্যর্থের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে না, কারণ এদের ব্যক্ত্যর্থ শূন্য।
    ৪. ব্যক্ত্যর্থহীন জাত্যর্থ বা জাত্যর্থহীন পদ: যেসব পদের কোনো নির্দিষ্ট জাত্যর্থ নেই (যেমন: কেবল বিশিষ্ট নামবাচক পদ 'রহিম', 'করিম'), তাদের ক্ষেত্রে জাত্যর্থ ও ব্যক্ত্যর্থের হ্রাস-বৃদ্ধির নিয়ম প্রযোজ্য হয় না।
    ৫. যোগ-বিয়োগের অনুপাতে পরিবর্তন হয় না: ব্যক্ত্যর্থ যে গাণিতিক হারে বাড়ে বা কমে, জাত্যর্থ ঠিক সেই সমপরিমাণ বা আনুপাতিক হারে পরিবর্তিত হয় না।

    অতএব, উদ্দীপকে বর্ণিত ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থের বিপরীতমুখী সম্পর্কটি সার্বিক বা পরম কোনো সত্য নয়; বরং যুক্তিবিদ্যার কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত ও সীমাবদ্ধতার অধীনে এটি পরিচালিত হয়।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন