পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • পৌরনীতি ও সুশাসন পরিচিতি • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ • বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ টেস্ট পরীক্ষা ২০২৩
পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন
জনাব 'ক' ছাত্রদের শ্রেণিকক্ষে নাগরিক, নাগরিকের ক্রিয়াকলাপ, অধিকার ও কর্তব্য এবং নাগরিক জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেন।
- ক)(1)
এথেন্স কি?
- খ)(2)
পৌরনীতিকে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয় কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব 'ক' এর পাঠদানের বিষয়ের সাথে তোমার পঠিত যে বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে তার পরিধি ও বিষয় বস্তু ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'ক' এর পাঠদানের বিষয়টি অধ্যয়ন প্রত্যেক নাগরিকের জীবনে অপরিহার্য- বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
এথেন্স হলো প্রাচীন গ্রিসের একটি বিখ্যাত গণতান্ত্রিক নগররাষ্ট্র (City-state)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পৌরনীতি মূলত নাগরিকের অধিকার, কর্তব্য এবং সার্বিক আচরণ নিয়ে আলোচনা করে বলে একে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
পৌরনীতির ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Civics', যা ল্যাটিন শব্দ 'Civis' (নাগরিক) ও 'Civitas' (নগররাষ্ট্র) থেকে এসেছে। শাব্দিক অর্থেই এটি নাগরিক ও নগররাষ্ট্র সম্পর্কিত শাস্ত্র। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ই. এম. হোয়াইট-এর মতে, "পৌরনীতি হলো জ্ঞানের সেই মূল্যবান শাখা, যা নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবতার সাথে জড়িত সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।" নাগরিক জীবনের যাবতীয় দিক নিয়ে সুশৃঙ্খল ও বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা করে বলেই একে নাগরিকতা বিষয়ক বিজ্ঞান বলা হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'ক' এর পাঠদানের বিষয়ের সাথে আমার পঠিত 'পৌরনীতি ও সুশাসন' বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে। নিচে এর পরিধি ও বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করা হলো:
১. নাগরিকতা বিষয়ক আলোচনা: পৌরনীতি নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, নাগরিকতার প্রকৃতি ও অর্জন-বিলোপের নিয়ম এবং সুনাগরিকের গুণাবলি আলোচনা করে।
২. মানব সমাজের আদি রূপ ও প্রতিষ্ঠানের বিকাশ: পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি, বিবর্তন ও কার্যাবলি পৌরনীতির আলোচনার অন্তর্ভুক্ত।
৩. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ: সংবিধান, সরকার ব্যবস্থা, সরকারের বিভিন্ন অঙ্গ (আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ), রাজনৈতিক দল, জনমত এবং নির্বাচন নিয়ে পৌরনীতি বিস্তারিত আলোচনা করে।
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ: নাগরিকের অতীতের অধিকার ও রাজনৈতিক রূপরেখা, বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
৫. স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: স্থানীয় স্বায়ত্ত্বশাসন প্রতিষ্ঠান (যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন) থেকে শুরু করে জাতীয় বিষয়াবলি এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা (যেমন- জাতিসংঘ) এর পরিধির অন্তর্ভুক্ত।সুতরাং, নাগরিক জীবনের সামগ্রিক কল্যাণ ও রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড পৌরনীতির প্রধান পরিধি ও বিষয়বস্তু।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব 'ক' এর পাঠদানের বিষয়টি হলো 'পৌরনীতি ও সুশাসন'। নাগরিক জীবনে এর অধ্যয়ন একান্ত অপরিহার্য, নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
১. সুনাগরিক হওয়ার শিক্ষা: পৌরনীতি পাঠের মাধ্যমে একজন নাগরিক বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেকসম্পন্ন হয়ে ওঠে, যা সুনাগরিক হওয়ার মূল ভিত্তি।
২. অধিকার ও কর্তব্য সচেতনতা: এটি পাঠ করলে নাগরিকরা সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সম্পর্কে সচেতন হয় এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য (যেমন- কর প্রদান, ভোটদান, আইন মান্য করা) পালনে উদ্বুদ্ধ হয়।
৩. গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জাগ্রতকরণ: সহনশীলতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অন্যের মতামতের গুরুত্ব অনুধাবনে পৌরনীতি পাঠের বিকল্প নেই।
৪. রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রম সম্পর্কে জ্ঞান: সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, সংবিধানের নিয়মকানুন এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
৫. আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন: বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে দেশের ভূমিকা এবং বিশ্বশান্তি রক্ষায় নাগরিকের করণীয় সম্পর্কে পৌরনীতি সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়।পরিশেষে বলা যায়, একজন সাধারণ মানুষকে সচেতন, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিকে রূপান্তর করতে পৌরনীতি ও সুশাসন অধ্যয়ন অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও