অর্থনীতি ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৬

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

শফিকুল মিয়া একজন মাছ ব্যবসায়ী। মাছকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে এবং পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে তিনি এক ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করেন। তার এ মাছ না বুঝেই জনসাধারণ ক্রয় করেন। এতে শফিকুল মিয়ার প্রচুর লাভ হয়।

  1. ক)

    খাদ্য নিরাপত্তা কী?

    (1)
  2. খ)

    নিরাপদ খাদ্য গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শফিকুল মিয়ার কার্যক্রম নিরাপদ খাদ্যের কার্যক্রমকে কীভাবে ধ্বংস করছে?

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের সমস্যার আলোকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে তুমি মনে কর?

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    সকল মানুষের সব সময় সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় ও পছন্দসই পুষ্টিকর খাদ্য পাওয়ার সামর্থ্য ও ভৌত সহজলভ্যতা নিশ্চিত থাকাকে খাদ্য নিরাপত্তা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    নিরাপদ খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ অনিরাপদ বা ভেজাল খাদ্য গ্রহণের ফলে মানবদেহে ক্যান্সার, কিডনি অকেজো হওয়াসহ নানা ধরনের জটিল ও মরণব্যাধি সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্যবান কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ-সবল রাখতে বিষাক্ত রাসায়নিক ও রোগজীবাণুমুক্ত পুষ্টিকর নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উল্লিখিত শফিকুল মিয়ার কার্যক্রম নিরাপদ খাদ্যের প্রধান উপাদান ‘খাদ্যের গুণগত মান ও বিশুদ্ধতা’ বিনষ্টের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যের ধারণাকে ধ্বংস করছে।

    নিরাপদ খাদ্য বলতে বোঝায় এমন খাদ্য যা রোগজীবাণু বা ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত এবং মানবদেহের জন্য স্বাস্থ্যকর। উদ্দীপকে শফিকুল মিয়া মাছ দীর্ঘদিন ভালো রাখতে এবং পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে ক্ষতিকর কেমিক্যাল (যেমন ফরমালিন বা অন্যান্য রাসায়নিক) ব্যবহার করছেন। এ ধরনের রাসায়নিক খাদ্যের প্রাকৃতিক গুণাগুণ নষ্ট করে এবং খাদ্যকে বিষাক্ত করে তোলে। ক্রেতারা না জেনে এই বিষাক্ত মাছ ক্রয় ও গ্রহণ করে দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছে। ফলে মুনাফালোভী এই কার্যক্রম নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য প্রাপ্তির অধিকারকে সরাসরি ধ্বংস করছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত ক্ষতিকর কেমিক্যাল মেশানোর সমস্যা রোধ করে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে সরকারের নিম্নোক্ত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত বলে আমি মনে করি:

    ১. আইনের কঠোর প্রয়োগ: নিরাপদ খাদ্য আইন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে কেমিক্যাল ব্যবহারকারী ও ভেজালকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অর্থদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে।
    ২. নিয়মিত মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: মৎস্য আড়ত, বাজার এবং সংরক্ষণাগারগুলোতে নিয়মিত ভেজালবিরোধী অভিযান ও ক্ষতিকর রাসায়নিক শনাক্তকরণ কিট দিয়ে পরীক্ষা চালাতে হবে।
    ৩. আধুনিক সংরক্ষণাগার স্থাপন: রাসায়নিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে সরকার পরিচালিত আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ বা শীতলীকরণ সংরক্ষণাগারের ব্যবস্থা সুলভে উন্মুক্ত করতে হবে।
    ৪. জনসচেতনতা বৃদ্ধি: ভেজাল খাদ্য ও কেমিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ব্যবসায়ী ও ভোক্তা উভয় পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা ও সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

    এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে ক্ষতিকর কেমিক্যালের ব্যবহার বন্ধ করে সবার জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন