ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    ব্যবস্থাপনা চক্র কি?

    (1)
  2. খ)

    সাক্ষাৎকার কেন গ্রহণ করা হয়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের "ক" স্থানের ব্যবস্থাপনার কোন কাজ করতে হয়? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের "খ" স্থানের কাজটি ইঞ্জিন সাদৃশ- তুমি কি একমত? তোমার মতামত বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্যবস্থাপনার কার্যাবলি চক্রাকারে আবর্তিত হওয়া বা ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় একের পর এক সম্পাদিত হওয়াকে ব্যবস্থাপনা চক্র বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    প্রার্থীর যোগ্যতা, ব্যক্তিত্ব, উপস্থিত বুদ্ধি, মানসিকতা এবং চাকরির জন্য উপযুক্ততা যাচাই করার উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।

    কর্মী নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ও চূড়ান্ত ধাপ হলো মৌখিক সাক্ষাৎকার। লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থীর তাত্ত্বিক জ্ঞান যাচাই করা গেলেও তার বাহ্যিক আচরণ, যোগাযোগ দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তব পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষমতা সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য সাক্ষাৎকার অপরিহার্য।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের 'ক' স্থানে ব্যবস্থাপনার 'নিয়ন্ত্রণ' কাজটি করতে হয়।

    পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্য সম্পাদিত হচ্ছে কি না তা পর্যবেক্ষণ করা, বিচ্যুতি ঘটলে তা নির্ণয় করা এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ বলে। এটি ব্যবস্থাপনা চক্রের সর্বশেষ ধাপ।

    উদ্দীপকের চিত্রে ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার কাজগুলো চক্রাকারে দেখানো হয়েছে। পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সংগঠন ('খ'), কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা এবং সমন্বয়সাধনের পর চক্রটির সর্বশেষ ধাপ হিসেবে 'ক' চিহ্নিত অংশে অবস্থান করে নিয়ন্ত্রণ। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমেই পূর্ববর্তী কাজের ফলাফল মূল্যায়িত হয় এবং পরবর্তী পরিকল্পনার ভিত্তি রচিত হয়। অতএব, উদ্দীপকের 'ক' স্থানের কাজটি হলো নিয়ন্ত্রণ।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, উদ্দীপকের 'খ' স্থানের কাজটি (সংগঠন) প্রতিষ্ঠানের জন্য ইঞ্জিন সাদৃশ্য— এই বক্তব্যের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত।

    উদ্দীপকের চক্রটিতে পরিকল্পনার ঠিক পরবর্তী ধাপ হিসেবে 'খ' চিহ্নিত স্থানে 'সংগঠন' বা 'সংগঠিতকরণ' (Organizing) অবস্থিত। লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপায়-উপকরণ, জনশক্তি ও দায়িত্ব-কর্তব্যকে সুবিন্যস্ত ও কার্যকর করার প্রক্রিয়াই হলো সংগঠন।

    একটি গাড়িতে যেমন ইঞ্জিন সমস্ত যন্ত্রাংশকে একীভূত করে চালিকাশক্তি জোগায় এবং যানটিকে সচল রাখে, তেমনি একটি প্রতিষ্ঠানে সংগঠন কাজটি সমস্ত মানবীয় ও বস্তুগত উপাদানকে সুসংহত ও সক্রিয় করে তোলে। যথাযথ সংগঠন কাঠামো ছাড়া অন্যান্য ব্যবস্থাপনা কাজ যেমন কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা বা নিয়ন্ত্রণ কোনোটিই ফলপ্রসূ হতে পারে না। কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব বণ্টন, আন্তঃসম্পর্ক নির্ধারণ এবং প্রতিটি উপাদানের সঠিক সংযোগ সংগঠনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।

    পরিশেষে বলা যায়, সুষ্ঠু সংগঠন কাঠামোর ওপর ভর করেই একটি প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যায়। তাই প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় 'সংগঠন' বাস্তবিক অর্থেই একটি ইঞ্জিনের মতো চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন