ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৩

ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন

মি. আলম ও মি. জিলানী " X লিমিটেড কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেন। মি. আলম শেয়ারের বিপরীতে মুনাফা পাবেন এমন কোন নিশ্চয়তা নেই, তবে তিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতামত ও ভোট দিতে পারেন। অপরদিকে মি. জিলানী কোম্পানির এমন এক ধরনের শেয়ার কর করেছেন যা থেকে তিনি প্রতিবছর ১২% হারে লভ্যাংশ পাবেন।

  1. ক)

    ঋণপত্র কি?

    (1)
  2. খ)

    কোম্পানির বিলোপ সাধন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    মি. আলম কোন ধরনের শেয়ার ক্রয় করেছিল? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    মি. আলমের ক্রয়ক্রীত শেয়ারের সাথে মি. জিলানির ক্রয়ক্রীত শেয়ারের বৈসাদৃশ্যতা বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণের প্রমাণস্বরূপ যে দলিল ইস্যু করে, তাকে ঋণপত্র বা ডিবেঞ্চার (Debenture) বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আইন অনুযায়ী গঠিত কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তাবিশিষ্ট কোনো যৌথ মূলধনী কোম্পানির আইনগত অস্তিত্বের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটানোকে কোম্পানির বিলোপসাধন বলে। কোম্পানি আইনের বিধান অনুসারে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে, যার ফলে কোম্পানি তার আইনগত সত্তা হারায় এবং দায়-দেনা পরিশোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তি শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বণ্টন করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে মি. আলম 'সাধারণ শেয়ার' (Ordinary/Common Share) ক্রয় করেছিলেন।

    যে শেয়ারের মালিকরা নির্দিষ্ট হারে কোনো লভ্যাংশ পান না, তবে প্রতিষ্ঠানের সর্বময় কর্তৃত্ব, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান, তাকে সাধারণ শেয়ার বলে। এ ধরনের শেয়ারহোল্ডাররা কোম্পানির প্রকৃত মালিক হিসেবে বিবেচিত হন এবং ব্যবসায়ের সকল ঝুঁকি বহন করেন।

    উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. আলমের লভ্যাংশ প্রাপ্তির কোনো নিশ্চয়তা নেই, তবে তিনি কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণে মতামত ও ভোট দিতে পারেন। সাধারণ শেয়ারের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডাররা ভোটাধিকার ভোগ করেন এবং মুনাফা প্রাপ্তির কোনো নির্দিষ্ট হার থাকে না। সুতরাং, মি. আলম সাধারণ শেয়ার ক্রয় করেছিলেন।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মি. আলমের ক্রয়কৃত শেয়ার হলো সাধারণ শেয়ার এবং মি. জিলানির ক্রয়কৃত শেয়ার হলো অগ্রাধিকার শেয়ার। নিম্নে এ দুই ধরনের শেয়ারের বৈসাদৃশ্য বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. লভ্যাংশ প্রাপ্তির হার ও অগ্রাধিকার: মি. জিলানির অগ্রাধিকার শেয়ারে প্রতিবছর নির্দিষ্ট হারে (১২%) লভ্যাংশ পাওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে এবং লভ্যাংশ বণ্টনের ক্ষেত্রে তিনি মি. আলমের আগে অগ্রাধিকার পাবেন। পক্ষান্তরে, মি. আলমের সাধারণ শেয়ারের লভ্যাংশের হার নির্দিষ্ট নয় এবং কোম্পানির পর্যাপ্ত মুনাফা না হলে তিনি কোনো লভ্যাংশ নাও পেতে পারেন।

    ২. ভোটাধিকার ও নিয়ন্ত্রণ: মি. আলমের সাধারণ শেয়ারের মূল সুবিধা হলো কোম্পানির নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। অন্যদিকে, মি. জিলানি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পেলেও সাধারণ সভায় ভোটাধিকার প্রয়োগ বা পরিচালনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারেন না।

    ৩. মূলধন ফেরত: কোম্পানি বিলোপসাধনকালে মি. জিলানি মূলধন ফেরতের ক্ষেত্রে মি. আলমের চেয়ে অগ্রাধিকার পাবেন। মি. আলম সবশেষে (যদি অবশিষ্ট থাকে) তাঁর মূলধন ফেরত পাবেন।

    ৪. ঝুঁকি: সাধারণ শেয়ারহোল্ডার হিসেবে মি. আলম সর্বাধিক ঝুঁকি বহন করেন। কিন্তু মি. জিলানি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাওয়ায় তাঁর ঝুঁকির পরিমাণ অত্যন্ত কম।

    সুতরাং, অধিকার, মুনাফা প্রাপ্তি, ঝুঁকি এবং পরিচালনার দিক থেকে মি. আলমের সাধারণ শেয়ার ও মি. জিলানির অগ্রাধিকার শেয়ারের মধ্যে সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য বিদ্যমান।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন