ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
সিলভার এন্টারপ্রাইজ-এর মালিক মি. হাবিব। তিনি বেশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিজে নেন এবং অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থাপনার নিচের স্তরে দেন। আবার প্রতিষ্ঠানের সব স্তরের কর্মীর কাজ করতে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য তিনি একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রাখতে উৎসাহিত করেন। ফলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হয়।
- ক)(1)
লক্ষ্য কী?
- খ)(2)
সমন্বয় কেন প্রয়োজন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ব্যবস্থাপনার কোন নীতি অনুসৃত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখে'— উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
পরিকল্পনার অভিপ্রেত বা প্রত্যাশিত ফলকে লক্ষ্য বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ব্যক্তি, বিভাগ ও উপ-বিভাগের কার্যাবলিকে একই সূত্রে বা অভিন্ন লক্ষ্যে গ্রথিত ও ঐক্যবদ্ধ করার জন্য সমন্বয় প্রয়োজন।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনেক বিভাগ ও কর্মী যৌথভাবে কাজ করে। এদের কাজের মধ্যে যদি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামঞ্জস্য না থাকে, তবে বিশৃঙ্খলা, দ্বৈততা ও অপচয় দেখা দেয়। সমন্বয়ের মাধ্যমেই দলগত প্রচেষ্টা সংহত হয় এবং প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন সহজতর হয়। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনার 'কেন্দ্রীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণের ভারসাম্য নীতি' অনুসৃত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত রাখাকে কেন্দ্রীকরণ এবং এই ক্ষমতা ক্রমান্বয়ে নিচের স্তরে ছড়িয়ে দেওয়াকে বিকেন্দ্রীকরণ বলে। একটি সুষ্ঠু প্রতিষ্ঠানে এই দুইয়ের যথাযথ ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সিলভার এন্টারপ্রাইজের মালিক মি. হাবিব অপেক্ষাকৃত বেশি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নিজের হাতে রাখেন (যা কেন্দ্রীকরণ) এবং কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে ব্যবস্থাপনার নিচের স্তরে অর্পণ করেন (যা বিকেন্দ্রীকরণ)। এ ধরনের ব্যবস্থাই ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীকরণ ও বিকেন্দ্রীকরণের নীতি নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখে—উক্তিটি যথার্থ।
সমন্বয় হলো প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অংশ ও কর্মীদের কাজের মধ্যে কার্যকর যোগসূত্র স্থাপন করা। এর মাধ্যমে প্রতিটি কর্মী নিজ নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পায় এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গতি সঞ্চার হয়। পারস্পরিক উন্মুক্ত যোগাযোগ নিশ্চিত হলে কাজের জটিলতা দূর হয়।
উদ্দীপকে সিলভার এন্টারপ্রাইজের মালিক মি. হাবিব সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরের কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষা করতে উৎসাহিত করেন। ফলে কর্মীদের কাজ করতে কোনো ধরনের সমস্যা বা বিভ্রান্তি তৈরি হয় না। একে অপরের সাথে তথ্যের আদান-প্রদান সহজ হওয়ায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত এবং কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে।
অতএব, যোগাযোগ ও সমঝোতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা সুষ্ঠু সমন্বয় ব্যবস্থা কর্মীদের পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পথ সুগম করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও