ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৬
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র প্রশ্ন
নিচের চিত্রটি লক্ষ করো এবং (গ) ও (ঘ) নং প্রশ্নের উত্তর চিত্রের আলোকে প্রদান করো :

- ক)(1)
এনকোডিং কী?
- খ)(2)
ই-কমার্স ধারণাটি বুঝিয়ে লেখো।
- গ)(3)
চিত্রে কোন ধরনের যোগাযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে? বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
ব্যবসায় ক্ষেত্রে চিত্রে উল্লিখিত যোগাযোগ পদ্ধতিটির গুরুত্ব মূল্যায়ন করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রেরক কর্তৃক মনোভাব বা ধারণাকে প্রাপকের বোধগম্য শব্দ, চিহ্ন, প্রতীক বা সংকেতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে এনকোডিং (Encoding) বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ই-কমার্স (Electronic Commerce) হলো ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ আদান-প্রদান ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার আধুনিক পদ্ধতি।
এ ব্যবস্থায় ক্রেতা ও বিক্রেতার সরাসরি সশরীরে উপস্থিতির প্রয়োজন হয় না; বরং অনলাইন প্ল্যাটফর্মের সাহায্যে পণ্যের অর্ডার, আর্থিক লেনদেন এবং পণ্য সরবরাহের সার্বিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। উদাহরণস্বরূপ—অনলাইন শপ থেকে ঘরে বসেই পণ্যের অর্ডার দিয়ে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করা ই-কমার্সের একটি রূপ।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের চিত্রে 'সমান্তরাল যোগাযোগ' (Horizontal/Lateral Communication) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
একটি প্রতিষ্ঠানের একই সাংগঠনিক স্তরের বা সমমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা বা বিভাগের মধ্যে তথ্য, ধারণা ও উপাত্তের যে আদান-প্রদান ঘটে, তাকে সমান্তরাল যোগাযোগ বলে। এতে কোনো ঊর্ধ্বতন-অধস্তনের সম্পর্ক থাকে না, বরং পারস্পরিক সহযোগিতার উদ্দেশ্যে তথ্য বিনিময় হয়।
চিত্রে দেখা যাচ্ছে, উৎপাদন বিভাগের ব্যবস্থাপক, বিক্রয় বিভাগের ব্যবস্থাপক এবং হিসাব বিভাগের ব্যবস্থাপক পরস্পরের সাথে সরাসরি তথ্যের আদান-প্রদান করছেন। যেহেতু তিনজনেই নিজ নিজ বিভাগের প্রধান বা সমমর্যাদার ব্যবস্থাপক এবং তাঁদের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে, তাই প্রাতিষ্ঠানিক স্তরবিন্যাসের বিচারে এটি সুস্পষ্টভাবে একটি সমান্তরাল যোগাযোগ পদ্ধতি।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
ব্যবসায় ক্ষেত্রে চিত্রে প্রদর্শিত সমান্তরাল যোগাযোগ পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ঐক্য ও কার্যকর সমন্বয় সাধনে এ যোগাযোগ অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
সমান্তরাল যোগাযোগের প্রধান প্রধান গুরুত্ব নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়: প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ একক লক্ষ্যের উদ্দেশ্যে কাজ করে। যেমন—উৎপাদন বিভাগ কতটুকু উৎপাদন করবে তা বিক্রয় বিভাগের চাহিদার ওপর নির্ভর করে এবং এর জন্য হিসাব বিভাগ থেকে তহবিলের সংস্থান প্রয়োজন হয়। চিত্রে প্রদর্শিত যোগাযোগের মাধ্যমে বিভাগগুলোর মধ্যে চমৎকার সমন্বয় গড়ে ওঠে।
২. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: সমপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়।
৩. ভুল বোঝাবুঝি দূরীকরণ ও দলগত অনুভূতি সৃষ্টি: সরাসরি মতবিনিময়ের ফলে বিভিন্ন বিভাগের ব্যবস্থাপকদের মধ্যে দূরত্ব কমে, ভুল বোঝাবুঝি দূর হয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায়।
৪. কার্যদক্ষতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধি: তথ্যের নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের কারণে কার্যক্রমে স্থবিরতা দূর হয় এবং উৎপাদন থেকে বিক্রয় পর্যন্ত সার্বিক ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়ে।অতএব, আধুনিক প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়ে বিভিন্ন সমপর্যায়ের বিভাগের মধ্যে গতিশীলতা বজায় রেখে সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক উদ্দেশ্য অর্জনে এই সমান্তরাল যোগাযোগ পদ্ধতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কার্যকর।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও