যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

১ম দৃষ্টান্ত → সকল ছাত্র হয় মেধাবী।২য় দৃষ্টান্ত → কিছু ছাত্র হয় মেধাবী। 1৩য় দৃষ্টান্ত → কিছু ছাত্র নয় মেধাবী।

  1. ক)

    পদের ব্যক্ত্যর্থ কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    জাত্যর্থ ও জাত্যর্থক পদ কি একই অর্থবোধক?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের কোন দৃষ্টান্তটি সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য এবং কেন? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    সকল দৃষ্টান্তে ‘মেধাবী' পদটির ব্যাপ্যতার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো পদ একই অর্থে যে পরিমাণ বা সংখ্যার ওপর প্রযোজ্য হয়, সেই সংখ্যা বা পরিমাণের দিকটিকে পদের ব্যক্ত্যর্থ বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    না, জাত্যর্থ ও জাত্যর্থক পদ একই অর্থবোধক নয়।

    জাত্যর্থ হলো কোনো পদের সাধারণ ও আবশ্যিক গুণের বা গুণাবলির সমষ্টি, যা কোনো শ্রেণির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য (যেমন— মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি ও জীববৃত্তি হলো মানুষের জাত্যর্থ)। অন্যদিকে, জাত্যর্থক পদ হলো এমন পদ যার ব্যক্ত্যর্থ ও জাত্যর্থ উভয়ই রয়েছে, অর্থাৎ যা একাধারে কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে এবং একই সঙ্গে তার আবশ্যিক গুণকেও নির্দেশ করে (যেমন— 'মানুষ' একটি জাত্যর্থক পদ)। সুতরাং, জাত্যর্থ হলো গুণ, আর জাত্যর্থক পদ হলো সেই গুণবিশিষ্ট শব্দ বা পদ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ১ম দৃষ্টান্তটি (সকল ছাত্র হয় মেধাবী) একটি সার্বিক সদর্থক (A) যুক্তিবাক্য।

    যে যুক্তিবাক্যে বিধেয় পদটি উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ সম্পর্কে কোনো কিছু স্বীকার করে, তাকে সার্বিক সদর্থক যুক্তিবাক্য বলে।
    ১ম দৃষ্টান্তে 'ছাত্র' হলো উদ্দেশ্য পদ এবং 'মেধাবী' হলো বিধেয় পদ। এখানে 'সকল' চিহ্নের মাধ্যমে উদ্দেশ্য পদের সমগ্র ব্যক্ত্যর্থকে গ্রহণ করা হয়েছে এবং 'হয়' সংযোজকের মাধ্যমে বিধেয় 'মেধাবী' গুণটিকে সকল ছাত্রের ক্ষেত্রে ইতিবাচকভাবে বা সদর্থকভাবে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তাই পরিমাণের দিক থেকে সার্বিক এবং গুণের দিক থেকে সদর্থক হওয়ায় ১ম দৃষ্টান্তটি সার্বিক সদর্থক (A) যুক্তিবাক্য।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে প্রদত্ত তিনটি দৃষ্টান্তে 'মেধাবী' বিধেয় পদটির ব্যাপ্যতার বিশ্লেষণ নিচে তুলনামূলকভাবে উপস্থাপন করা হলো:

    ১ম দৃষ্টান্ত: "সকল ছাত্র হয় মেধাবী" — এটি সার্বিক সদর্থক (A) যুক্তিবাক্য। A যুক্তিবাক্যের নিয়ম হলো উদ্দেশ্য পদ ব্যাপ্য কিন্তু বিধেয় পদ অব্যাপ্য। কারণ এখানে 'মেধাবী' পদটিকে কেবল ছাত্রদের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা হয়েছে, সমগ্র মেধাবীদের ব্যক্ত্যর্থ এখানে বিবেচনা করা হয়নি (কারণ অন্যান্য প্রাণী বা ব্যক্তিও মেধাবী হতে পারে)। সুতরাং, ১ম দৃষ্টান্তে 'মেধাবী' পদটি অব্যাপ্য।

    ২য় দৃষ্টান্ত: "কিছু ছাত্র হয় মেধাবী" — এটি বিশেষ সদর্থক (I) যুক্তিবাক্য। I যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয় উভয় পদই অব্যাপ্য। এখানে 'মেধাবী' পদটির আংশিক ব্যক্ত্যর্থ স্বীকার করা হয়েছে, তাই ২য় দৃষ্টান্তে 'মেধাবী' পদটি অব্যাপ্য।

    ৩য় দৃষ্টান্ত: "কিছু ছাত্র নয় মেধাবী" — এটি বিশেষ নঞর্থক (O) যুক্তিবাক্য। O যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য পদ অব্যাপ্য হলেও বিধেয় পদ ব্যাপ্য। এখানে 'কিছু ছাত্র'কে বিধেয় 'মেধাবী' শ্রেণির সম্পূর্ণ ব্যক্ত্যর্থ থেকে আলাদা বা অস্বীকার করা হয়েছে। ফলে বিধেয় পদটির সমগ্র ব্যক্ত্যর্থ ব্যবহৃত হওয়ায় ৩য় দৃষ্টান্তে 'মেধাবী' পদটি ব্যাপ্য।

    অতএব, তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, ১ম ও ২য় দৃষ্টান্তে 'মেধাবী' পদটি সদর্থক বাক্যের বিধেয় হওয়ায় অব্যাপ্য, কিন্তু ৩য় দৃষ্টান্তে নঞর্থক বাক্যের বিধেয় হওয়ায় তা ব্যাপ্য।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন