রসায়ন ১ম পত্র • Jashore Board • যশোর বোর্ড ২০২১
রসায়ন ১ম পত্র প্রশ্ন
[Note: উদ্দীপকে C এর স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা দেওয়া আছে দুটি কিন্তু চারটি হবে। C এর স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা হবে +12,+12,−12,+12 +\frac{1}{2},+\frac{1}{2},-\frac{1}{2},+\frac{1}{2} ।]
মৌল | প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা | সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা | চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা | স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা
A | 3 | 0 | 0 | +12 +\frac{1}{2}
B | 3 | 0, 1 | 0, + 1, – 1 | +12,+12,+12,+12 +\frac{1}{2}, +\frac{1}{2}, +\frac{1}{2}, +\frac{1}{2} −12,−12,−12 -\frac{1}{2}, -\frac{1}{2}, -\frac{1}{2}
C | 2 | 0, 1 | 0, + 1, – 1 | +12,−12 +\frac{1}{2}, -\frac{1}{2}
- ক)(1)
ভর ক্রিয়ার সূত্র কী?
- খ)(2)
কোনো লবণের "দ্রাব্যতা 30" কথাটির অর্থ কী?
- গ)(3)
A, B ও C মৌল তিনটি কী কী এবং কেন?
- ঘ)(4)
AB যৌগটির ঋণাত্মক আয়ন কীভাবে শনাক্ত করা যায় বিক্রিয়াসহ লিখ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট মুহূর্তে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতিবেগ ঐ মুহূর্তে উপস্থিত বিক্রিয়কগুলোর সক্রিয় ভরের (মোলার গাঢ়ত্ব বা আংশিক চাপের) সমানুপাতিক। একে ভর ক্রিয়ার সূত্র বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো লবণের দ্রাব্যতা ৩০ কথাটির অর্থ হলো, ঐ তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবকে (সাধারণত পানিতে) লবণটিকে দ্রবীভূত করে সম্পৃক্ত দ্রবণ প্রস্তুত করতে সর্বোচ্চ ৩০ গ্রাম লবণ প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, ১০০ গ্রাম দ্রাবকের সাথে ৩০ গ্রাম লবণ মিশ্রিত হয়ে মোট ১৩০ গ্রাম সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মৌলগুলোর সর্ববহিঃস্থ স্তরের কোয়ান্টাম সংখ্যার মানসমূহ দেওয়া হয়েছে:
১. A মৌল: প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 3, l = 0 (3s অরবিটাল), m = 0 এবং s = +1/2। অর্থাৎ 3s উপস্তরে ১টি ইলেকট্রন বিদ্যমান। মৌলটির ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s² 2s² 2p⁶ 3s¹। মোট ইলেকট্রন সংখ্যা ১১ হওয়ায় মৌল A হলো সোডিয়াম (Na)।
২. B মৌল: প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 3, l = 0, 1 (3s ও 3p অরবিটাল)। এখানে মোট স্পিন মান ৭টি (+1/2 চারটি এবং -1/2 তিনটি)। সুতরাং যোজ্যতা স্তরে ইলেকট্রন সংখ্যা ৭টি (3s² 3p⁵)। এর ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁵। মোট ইলেকট্রন সংখ্যা ১৭ হওয়ায় মৌল B হলো ক্লোরিন (Cl)।
৩. C মৌল: প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 2, l = 0, 1 (2s ও 2p অরবিটাল)। নোটে প্রদত্ত সংশোধন অনুযায়ী এর সর্ববহিঃস্থ স্তরে মোট ৪টি ইলেকট্রন বিদ্যমান (2s² 2p²)। এর ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s² 2s² 2p²। মোট ইলেকট্রন সংখ্যা ৬ হওয়ায় মৌল C হলো কার্বন (C)।
অতএব, মৌল তিনটি যথাক্রমে A = সোডিয়াম (Na), B = ক্লোরিন (Cl) এবং C = কার্বন (C)।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
A ও B দ্বারা গঠিত যৌগটি হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl)। এর ঋণাত্মক আয়নটি হলো ক্লোরাইড আয়ন (Cl⁻)।
ক্লোরাইড আয়ন (Cl⁻) শনাক্তকরণ পদ্ধতি:
১. সিলভার নাইট্রেট (AgNO₃) পরীক্ষা:
একটি টেস্টটিউবে NaCl এর জলীয় দ্রবণ নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা সিলভার নাইট্রেট (AgNO₃) দ্রবণ যোগ করলে সিলভার ক্লোরাইডের (AgCl) সাদা রঙের অধঃক্ষেপ পড়ে। এই অধঃক্ষেপ নাইট্রিক অ্যাসিডে (HNO₃) অদ্রবণীয় কিন্তু লঘু অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH₄OH) দ্রবণে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণীয় ডাইঅ্যামিন সিলভার(I) ক্লোরাইড জটিল যৌগ গঠন করে। প্রাপ্ত দ্রবণে পুনরায় HNO₃ যোগ করলে আবার AgCl-এর সাদা অধঃক্ষেপ ফিরে আসে।বিক্রিয়া:
NaCl(aq) + AgNO₃(aq) → AgCl(s)↓ (সাদা) + NaNO₃(aq)
AgCl(s) + 2NH₄OH(aq) → [Ag(NH₃)₂]Cl(aq) (বর্ণহীন দ্রবণ) + 2H₂O(l)
[Ag(NH₃)₂]Cl(aq) + 2HNO₃(aq) → AgCl(s)↓ (সাদা) + 2NH₄NO₃(aq)এই বিক্রিয়ার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে NaCl যৌগের ঋণাত্মক আয়ন ক্লোরাইড (Cl⁻) শনাক্ত করা যায়।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও