অর্থনীতি ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০২৫
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

- ক)(1)
সংরক্ষিত শিল্প কী?
- খ)(2)
শিল্পায়ন কীভাবে বেকারত্ব দূরীকরণে সহায়ক? ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকে 'S'-শিল্পটি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকে 'S'-শিল্পটির গুরুত্ব বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে আলোচনা করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতীয় নিরাপত্তা, জনস্বার্থ ও পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এবং বেসরকারি খাতের জন্য নিষিদ্ধ শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা বেকারত্ব দূরীকরণে সরাসরি সহায়ক। শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার ফলে সেখানে প্রত্যক্ষভাবে প্রচুর দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের কাজের সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি কাঁচামাল সরবরাহ, পরিবহন, বিপণন ও সেবা খাতে পরোক্ষ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। এভাবে কৃষিনির্ভর উদ্বৃত্ত শ্রমশক্তিকে শিল্প খাতে নিয়োজিত করার মাধ্যমে শিল্পায়ন বেকারত্ব নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে 'S'-শিল্পটি হলো 'রপ্তানিমুখী শিল্প'।
যেসব শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পরিবর্তে বিদেশের বাজারে বিক্রয় ও রপ্তানির উদ্দেশ্যে উৎপাদিত হয়, সেগুলোকে রপ্তানিমুখী শিল্প বলা হয়।
উদ্দীপকের ছকে দেখা যায়, 'S'-শিল্পের উৎপাদিত পণ্য বহির্বিশ্বে বিক্রয় হয়, এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্থাপিত এবং এর ফলে বহির্বিশ্বের সাথে বাণিজ্যিক সুসম্পর্ক বজায় থাকে। রপ্তানিমুখী শিল্পের মূল লক্ষ্যই থাকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পণ্য তৈরি করে তা বিদেশে রপ্তানি করা এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা। সুতরাং, উদ্দীপকের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী 'S'-শিল্পটি নিশ্চিতভাবেই একটি রপ্তানিমুখী শিল্প।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে নির্দেশিত 'S'-শিল্পটি হলো রপ্তানিমুখী শিল্প। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ ধরনের শিল্পের গুরুত্ব অপরিসীম। নিচে তা আলোচনা করা হলো:
১. বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন: বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য ও হিমায়িত খাদ্যের মতো রপ্তানিমুখী শিল্প খাত থেকে। এ আয় দেশের বাণিজ্য ঘাটতি মেটাতে ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
২. কর্মসংস্থান সৃষ্টি: রপ্তানিমুখী শিল্পে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে লাখ লাখ শ্রমিকের (বিশেষ করে নারীদের) কর্মসংস্থান হয়েছে। এটি নারী ক্ষমতায়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে।
৩. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জিডিপিতে অবদান: রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায় এবং দেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের অংশ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত হয়।
৪. আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ: বহির্বিশ্বের বাজারে পণ্য প্রবেশের ফলে বিভিন্ন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে।
সুতরাং, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য নিরসন ও দেশকে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে রপ্তানিমুখী শিল্পের ভূমিকা অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও অপরিহার্য।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও