যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র • Barishal Board • বরিশাল বোর্ড ২০১৯
যুক্তিবিদ্যা ২য় পত্র প্রশ্ন
রফিক বললো, আমার ল্যাপটপটি হারানোর পর আমি হাতের ও পায়ের ছাপ দেখে চোর শনাক্ত করি। বেলাল বললো, কোনো বিষয়কে যথার্থভাবে জানতে হলে পর্যাপ্ত তথ্য থাকতে হবে। যেমন— ঘটনা নিরীক্ষণ, আনুমানিক ধারণা গঠন ইত্যাদি।
- ক)(1)
পরীক্ষণমূলক সমর্থন কী?
- খ)(2)
কোনো ঘটনা ব্যাখ্যায় বাস্তব কারণকে স্বীকার করতে হবে কেন?
- গ)(3)
রফিকের বক্তব্য তোমার বইয়ের কোন বিষয়কে নির্দেশ করে?
- ঘ)(4)
বেলালের বক্তব্যে যে বিষয়কে নির্দেশ করে তার স্তরগুলো বিশ্লেষণ করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
প্রকল্প থেকে অবরোহ পদ্ধতিতে নিঃসৃত সিদ্ধান্তকে বাস্তব ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ বা পরীক্ষণের সাহায্যে যাচাই করে সত্যতা প্রমাণের প্রক্রিয়াকে পরীক্ষণমূলক সমর্থন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো কোনো ঘটনা ব্যাখ্যা করতে হলে তার বাস্তব কারণ বা বাস্তব সত্তাকে নির্দেশ করতে হবে। অবাস্তব বা কাল্পনিক কোনো বিষয় দিয়ে বাস্তব ঘটনাকে ব্যাখ্যা করলে তা ভ্রান্ত ধারণার জন্ম দেয় এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। তাই সঠিক ও নির্ভরযোগ্য কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই বাস্তব কারণকে স্বীকার করতে হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে রফিকের বক্তব্য যুক্তিবিদ্যার ‘প্রকল্পের প্রমাণ’ বা ‘প্রকল্প যাচাইকরণ’ (বিশেষত বাস্তব কারণ আবিষ্কারের প্রক্রিয়া)-কে নির্দেশ করে।
কোনো ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রাথমিক আনুমানিক ধারণাকে প্রকল্প বলে। রফিক তার ল্যাপটপ হারানোর পর চোর শনাক্ত করতে গিয়ে পারিপার্শ্বিক আলামত হিসেবে হাতের ও পায়ের ছাপ পরীক্ষা করে। এটি প্রকল্পের একটি সুনির্দিষ্ট যাচাইকরণ প্রক্রিয়া, যেখানে প্রাপ্ত প্রমাণের সাথে সম্ভাব্য চোরের সংযোগ স্থাপন করে প্রকল্পটিকে যাচাই ও প্রমাণ করা হয়। সুতরাং, রফিকের বক্তব্য প্রকল্পের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রমাণ বিষয়টিকে নির্দেশ করে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বেলালের বক্তব্যে মূলত ‘প্রকল্পের স্তরসমূহ’ বা পর্যায়গুলোকে নির্দেশ করা হয়েছে। একটি পূর্ণাঙ্গ ও সফল প্রকল্প গঠনে চারটি স্তর অতিক্রম করতে হয়, যা নিম্নে বিশ্লেষণ করা হলো:
১. ঘটনা নিরীক্ষণ: কোনো ঘটনার কারণ ব্যাখ্যা করতে হলে প্রথমেই সংশ্লিষ্ট ঘটনা ও তার পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ বা নিরীক্ষণ করতে হয়।
২. আনুমানিক ধারণা গঠন: নিরীক্ষিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ঘটনার কারণ সম্পর্কে একটি প্রাথমিক আনুমানিক ধারণা বা প্রকল্প প্রণয়ন করতে হয়।
৩. অবরোহ পদ্ধতি প্রয়োগ (সিদ্ধান্ত নিগমন): গঠিত আনুমানিক ধারণাকে সত্য ধরে নিয়ে তার সম্ভাব্য ফলাফল বা পরিণতি অবরোহ পদ্ধতিতে বের করে নেওয়া হয়।
৪. বাস্তব যাচাইকরণ বা সমর্থন: নিগমিত সিদ্ধান্তগুলোকে বাস্তব জগতের ঘটনা বা পরীক্ষণের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। বাস্তবতার সাথে মিলে গেলে প্রকল্পটি একটি প্রমাণিত সত্য বা বৈজ্ঞানিক সূত্রে রূপ নেয়।
সুতরাং, বেলালের উল্লেখিত বিষয়গুলো প্রকল্পের এ সকল স্তরকেই যৌক্তিকভাবে প্রকাশ করে।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও