পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. 'ক' ও মি. 'খ' দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। মি. 'ক' সর্বোচ্চ আদালতের প্রথিতযশা আইনজীবী হওয়ায় সরকার তাকে একটি আইনভিত্তিক সাংবিধানিক পদে নিয়োগদান করে। অপরদিকে মি. 'ক' এর বন্ধু মি. 'খ' আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার কারণে জাতীয় অর্থের অভিভাবক হিসেবে সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত হয়।
- ক)(1)
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের প্রধান কাজ কী?
- খ)(2)
নির্বাচন কমিশন কীভাবে গঠিত হয়?
- গ)(3)
মি. 'ক' যে সাংবিধানিক পদে নিয়োজিত তার নিয়োগ, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করো।
- ঘ)(4)
মি. 'খ' এর পদ জাতীয় অর্থের রক্ষক অনুসন্ধান করো।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (BPSC) প্রধান কাজ হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মে উপযুক্ত ও যোগ্য কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের জন্য পরীক্ষা পরিচালনা করা ও প্রার্থী বাছাই করে সরকারের কাছে সুপারিশ করা।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি সংবিধানের বিধানাবলি এবং এ বিষয়ে প্রণীত আইনের সাপেক্ষে তাঁদের নিয়োগ দান করেন।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. 'ক' যে পদে নিয়োজিত, তা হলো বাংলাদেশের 'অ্যাটর্নি জেনারেল' পদ। সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময় পর্যন্ত পদে বহাল থাকেন।
ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
১. অ্যাটর্নি জেনারেল সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
২. তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রেরিত যেকোনো আইনগত বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করেন।
৩. সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের যেকোনো আদালতে সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা ও প্রতিনিধিত্ব করেন।
৪. সংবিধান অনুযায়ী তিনি জাতীয় সংসদে উপস্থিত থাকার এবং বক্তব্য রাখার অধিকার রাখেন, তবে ভোটদানের অধিকার তাঁর নেই। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. 'খ' আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়ে যে সাংবিধানিক পদটি অলঙ্কৃত করেছেন, তা হলো বাংলাদেশের 'মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' (Comptroller and Auditor General বা CAG)। তাঁর এই পদটি প্রকৃতপক্ষে জাতীয় অর্থের প্রধান অভিভাবক ও রক্ষক।
সংবিধানের ১২৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব এবং সকল আদালত, কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীর সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করেন ও অনুরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত বাজেট অনুযায়ী সরকারি অর্থ যথাযথ খাতে এবং যথাযথভাবে ব্যয় হয়েছে কি না, তা তিনি নিশ্চিত করেন। সরকারের আয়-ব্যয়ে কোনো অপচয় বা অনিয়ম ঘটলে তা তাঁর নিরীক্ষায় ধরা পড়ে। মহা হিসাব-নিরীক্ষক তাঁর বার্ষিক নিরীক্ষা রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করেন এবং রাষ্ট্রপতি তা জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন। সংসদীয় পাবলিক একাউন্টস কমিটি এই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়। সুতরাং, রাষ্ট্রীয় তহবিলের সুষ্ঠু তদারকি ও অপচয় রোধ করার মাধ্যমে সিএজি (CAG) বা মহা হিসাব-নিরীক্ষক প্রকৃত অর্থেই 'জাতীয় অর্থের রক্ষক' হিসেবে কাজ করেন।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও