যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৩

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

উদাহরণ-১: সে বই পড়ে।উদাহরণ-২: সব ফুল হয় লাল।উদাহরণ-৩: কিছু ফুল হয় লাল।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যায় শব্দ কত প্রকার?

    (1)
  2. খ)

    শব্দ কখন পদে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে উদাহরণ-৩ কোন প্রকারের যুক্তিবাক্যকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    পাঠ্যপুস্তকের আলোকে উদাহরণ-১ ও উদাহরণ-২-এর পার্থক্য বিশ্লেষণ কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যায় শব্দকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে (পদযোগ্য শব্দ, সহ-পদযোগ্য শব্দ এবং পদ-অযোগ্য শব্দ)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    কোনো শব্দ যখন কোনো যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য বা বিধেয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় অথবা ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে, তখন তাকে 'পদ' বলে। সব শব্দই পদ নয়; কেবল সেই শব্দই পদে পরিণত হয় যা একটি যুক্তিবাক্যে বক্তব্য প্রকাশের কেন্দ্রবিন্দু (উদ্দেশ্য) অথবা উদ্দেশ্য সম্পর্কে কিছু স্বীকার বা অস্বীকার (বিধেয়) করার উপযোগী অর্থ প্রকাশ করে। যেমন—'ফুল' বা 'সুন্দর' শব্দ দুটি আলাদাভাবে কেবল শব্দ, কিন্তু "ফুল হয় সুন্দর" বাক্যে উদ্দেশ্য ও বিধেয় রূপে ব্যবহৃত হয়ে পদে পরিণত হয়েছে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে উদাহরণ-৩ ("কিছু ফুল হয় লাল") হলো একটি 'বিশেষ সদর্থক' (Particular Affirmative) বা 'I' যুক্তিবাক্য।
    যুক্তিবিদ্যায় গুণ ও পরিমাণ অনুসারে যুক্তিবাক্যকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। উদাহরণ-৩ এ 'কিছু' শব্দ দ্বারা উদ্দেশ্য পদ 'ফুল'-এর আংশিক পরিমাণ নির্দেশ করায় এটি 'পরিমাণ' অনুসারে 'বিশেষ যুক্তিবাক্য'। আবার সংযোজক হিসেবে 'হয়' থাকায় উদ্দেশ্য সম্পর্কে লাল গুণটিকে স্বীকার করা হয়েছে, ফলে এটি 'গুণ' অনুসারে 'সদর্থক যুক্তিবাক্য'।
    অতএব, পরিমাণ ও গুণের যৌথ শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী "কিছু ফুল হয় লাল" যুক্তিবাক্যটি একটি বিশেষ সদর্থক বা 'I' যুক্তিবাক্য।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের উদাহরণ-১ হলো "সে বই পড়ে" এবং উদাহরণ-২ হলো "সব ফুল হয় লাল"। যুক্তিবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে এই দুটির মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে:
    ১. কাঠামোগত পার্থক্য: উদাহরণ-১ ব্যাকরণিক বাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য (সে), কর্ম (বই) ও সমাপিকা ক্রিয়া (পড়ে) রয়েছে; এতে যুক্তিবিদ্যার সুনির্দিষ্ট সংযোজক অনুপস্থিত। অন্যদিকে, উদাহরণ-২ একটি আদর্শ যুক্তিবাক্য, যার তিনটি সুস্পষ্ট অংশ রয়েছে—উদ্দেশ্য পদ (ফুল), বিধেয় পদ (লাল) এবং সংযোজক (হয়)।
    ২. পরিমাণের স্পষ্টতা: উদাহরণ-২ এ পরিমাণক হিসেবে 'সব' ব্যবহৃত হয়ে বাক্যটির সার্বিক রূপ সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। উদাহরণ-১ এ কোনো পরিমাণক নেই, এটি একটি সাধারণ বিবরণমূলক ব্যাকরণিক বিবৃতি।
    ৩. পদের অবস্থান: যুক্তিবিদ্যায় একটি পূর্ণাঙ্গ যুক্তিবাক্যের উদ্দেশ্য ও বিধেয়কে পৃথককারী একটি বর্তমানকালের সদর্থক বা নঞর্থক সংযোজক ('হয়' বা 'নয়') থাকা বাধ্যতামূলক, যা উদাহরণ-২ এ পূর্ণাঙ্গভাবে রয়েছে কিন্তু উদাহরণ-১ এ ব্যাকরণিক ক্রিয়াপদের ভেতর অন্তর্নিহিত থাকায় যৌক্তিক আকারে প্রকাশিত নয়।
    ৪. বাক্যের শ্রেণি: উদাহরণ-২ একটি সার্বিক সদর্থক বা 'A' যুক্তিবাক্য, যেখানে উদ্দেশ্য পদটি ব্যাপ্য এবং বিধেয় পদটি অব্যাপ্য। অপরপক্ষে, উদাহরণ-১ কে সরাসরি যুক্তিবিদ্যায় কোনো নির্ধারিত মানক যুক্তিবাক্য (A, E, I, O) হিসেবে গণ্য করা যায় না, একে যুক্তিবাক্যে রূপান্তর করতে হলে "সে হয় এমন ব্যক্তি যে বই পড়ে" আকারে প্রকাশ করতে হবে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন