অর্থনীতি ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৬
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
একটি দেশের জনসংখ্যার কাঠামো নিম্নরূপ:
২০১৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ের জনসংখ্যা | ২০১৪ সালের মোট জীবিত জনসংখ্যা | ২০১৪ সালের মোট মৃত্যু সংখ্যা
১৫,০০,০০,০০০ | ২৫,০০,০০০ | ২,০০,০০০
- ক)(1)
নিট অভিবাসন কাকে বলে?
- খ)(2)
যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকলে মাথাপিছু আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কী বলে?
- গ)(3)
উদ্দীপক থেকে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ও স্থূল মৃত্যুহার নির্ণয় করো।
- ঘ)(4)
যদি দেশটির আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. হয়, তবে দেশটির জনসংখ্যার ঘনত্ব কত হবে? ঘনত্ব বিবেচনা করে দেশটি জনবহুল হলে তার সমাধানের উপায় কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছরে) একটি দেশে মোট আগমনকারী বা বহিরাগমনকারী অভিবাসী এবং দেশ ছেড়ে বহির্গমনকারী অভিবাসীর সংখ্যার পার্থক্যকে নিট অভিবাসন বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে পরিমাণ জনসংখ্যা থাকলে দেশের প্রাপ্ত প্রাকৃতিক ও অন্যান্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে মাথাপিছু আয় সর্বোচ্চ হয়, তাকে কাম্য জনসংখ্যা (Optimum Population) বলে। কাম্য জনসংখ্যা স্তরের চেয়ে জনসংখ্যা কম বা বেশি হলে মাথাপিছু আয় সর্বোচ্চ স্তরের চেয়ে হ্রাস পায়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপক অনুসারে:
২০১৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ের জনসংখ্যা (P) = ১৫,০০,০০,০০০
২০১৪ সালের মোট জীবিত জন্মসংখ্যা (B) = ২৫,০০,০০০
২০১৪ সালের মোট মৃত্যুসংখ্যা (D) = ২,০০,০০০(i) প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার (CBR):
CBR = (B / P) × ১,০০০
= (২৫,০০,০০০ / ১৫,০০,০০,০০০) × ১,০০০
= ১/৬০ × ১,০০০
= ১৬.৬৭ জন (প্রায়)(ii) প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার (CDR):
CDR = (D / P) × ১,০০০
= (২,০০,০০০ / ১৫,০০,০০,০০০) × ১,০০০
= ১/৭৫০ × ১,০০০
= ১.৩৩ জন (প্রায়)অতএব, দেশটির প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৬.৬৭ জন এবং স্থূল মৃত্যুহার ১.৩৩ জন।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জনসংখ্যার ঘনত্ব নির্ণয়:
আমরা জানি,
জনসংখ্যার ঘনত্ব = মোট জনসংখ্যা / মোট আয়তন
এখানে,
মোট জনসংখ্যা = ১৫,০০,০০,০০০ জন
মোট আয়তন = ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.অতএব, জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১৫,০০,০০,০০০ / ১,৪৭,৫৭০ ≈ ১,০১৬.৪৭ জন/বর্গ কি.মি.।
প্রতি বর্গ কিলোমিটারে প্রায় ১,০১৬ জন বসবাস করায় দেশটি একটি অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ বা জনবহুল দেশ।
জনবহুল সমস্যার সমাধানের উপায়:
১. পরিবার পরিকল্পনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি: কার্যকর পরিবার পরিকল্পনা সেবার বিস্তার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে জন্মহার দ্রুত হ্রাস করা।
২. নারী শিক্ষার প্রসার ও কর্মসংস্থান: নারীদের শিক্ষাদানের হার বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থানে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ালে বিবাহ ও সন্তান ধারণের বয়স বৃদ্ধি পায় এবং জন্মহার হ্রাস পায়।
৩. জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর: আধুনিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে বিপুল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা।
৪. বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি: দক্ষ শ্রমিক তৈরির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি করে দেশের ওপর জনসংখ্যার চাপ কমানো।
৫. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়ন: কৃষিভিত্তিক নির্ভরতা কমিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং সেবা খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটিয়ে বাড়তি জনসংখ্যার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও