সমাজকর্ম ২য় পত্র • মৌলিক মানবিক চাহিদা • Combined Board • ঢাকা, কুমিল্লা, যশোর বোর্ড ২০২২

সমাজকর্ম ২য় পত্র প্রশ্ন

  1. ক)

    মানব সভ্যতার ধারক ও বাহক কী?

    (1)
  2. খ)

    মৌলিক মানবিক চাহিদা হিসেবে খাদ্য কেন প্রয়োজন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে কোন ধরনের মৌলিক মানবিক চাহিদার অন্তরায় জনিত সমস্যাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মৌলিক মানবিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানব সভ্যতার ধারক ও বাহক হলো শিক্ষা।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান জৈবিক প্রয়োজন হলো খাদ্য।

    দেহ গঠন, বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই। খাদ্য ছাড়া মানুষের বেঁচে থাকা অসম্ভব। ক্ষুধা নিবারণের পাশাপাশি শারীরিক কর্মক্ষমতা ও শক্তি বজায় রাখার প্রধান উৎস খাদ্য হওয়ায় একে মৌলিক মানবিক চাহিদার প্রথম ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'শিক্ষা' নামক মৌলিক মানবিক চাহিদার অন্তরায় বা অপূরণজনিত সমস্যাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

    শিক্ষা মানুষের অন্যতম প্রধান মৌলিক মানবিক চাহিদা, যা মানুষের অন্তর্নিহিত সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটায় এবং ব্যক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করে। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। শিক্ষাবঞ্চিত মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝাস্বরূপ হয়ে দাঁড়ায়।

    উদ্দীপকের চিত্রে মৌলিক মানবিক চাহিদার বিপরীতে 'নিরক্ষরতা', 'অজ্ঞতা' এবং 'কুসংস্কার' উল্লেখ করা হয়েছে। শিক্ষা চাহিদার অপূর্ণতা বা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ফলেই সমাজে নিরক্ষরতার হার বৃদ্ধি পায়। নিরক্ষরতার কারণে মানুষের মাঝে তৈরি হয় অজ্ঞতা, যা পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বিভিন্ন কুসংস্কার ও গোঁড়ামি সৃষ্টি করে। সুতরাং, উদ্দীপকে শিক্ষাজনিত মৌলিক মানবিক চাহিদার অন্তরায় ও অপূর্ণতার ফলকেই প্রতিফলিত করা হয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত মৌলিক মানবিক চাহিদাটি হলো 'শিক্ষা'। এ চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ সরকার বহুমুখী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

    ১. প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিকীকরণ: সরকার ১৯৯০ সালে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক আইন পাস করে এবং সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করেছে।
    ২. বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ: প্রতি বছর ১লা জানুয়ারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে কোটি কোটি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
    ৩. উপবৃত্তি কার্যক্রম: দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনায় আকৃষ্ট করতে এবং ঝরে পড়া রোধে ব্যাপক আকারে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে উপবৃত্তি চালু রয়েছে।
    ৪. নারী শিক্ষার প্রসার: মেয়েদের শিক্ষার হার বাড়াতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ ও বিশেষ উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
    ৫. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা: বাস্তবমুখী জ্ঞান ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
    ৬. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ডিজিটাল শিক্ষা: বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।

    উপরিউক্ত পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার দেশের নিরক্ষরতা ও অজ্ঞতা দূর করে শিক্ষার প্রসার ঘটাতে সক্রিয় ও সফল ভূমিকা পালন করে আসছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন