অর্থনীতি ২য় পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৯
অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন
মি. ‘X’ ও মি. ‘Y’ দুই ভাই। মি. ‘X’দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করেন। কিন্তু মি. ‘Y’ইউরোপের দেশগুলোর সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য করেন। ব্যবসা করতে গিয়ে মি. “Y” বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হলেও মি. ‘X’ তেমন কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন না।
- ক)(1)
বিশ্বায়ন কী?
- খ)(2)
ট্যাক্স হলিডে সুবিধা কোন ধরনের শিল্পকে দেয়া হয় এবং কেন?
- গ)(3)
উদ্দীপকে মি. x যে ধরনের ব্যবসার সাথে জড়িত তা উল্লেখপূর্বক-এর সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
মি. ‘X ও মি. ‘Y’ এর বাণিজ্যের পার্থক্য উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো ।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বিশ্বায়ন হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পারস্পরিক সংযোগ এবং ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করে উন্মুক্ত বাজার ও ধারণার বিশ্বব্যাপী সমন্বয় প্রক্রিয়া।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সাধারণত কোনো দেশের নবপ্রতিষ্ঠিত, অগ্রাধিকারমূলক, রপ্তানিমুখী বা অনগ্রসর অঞ্চলে স্থাপিত শিল্পকে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কর মওকুফ বা 'ট্যাক্স হলিডে' সুবিধা দেওয়া হয়।
শিল্পোদ্যোক্তাদের মূলধন বিনিয়োগে উৎসাহিত করতে, শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করতে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করতে এবং অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্পের বিকাশ ঘটিয়ে সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে সরকার এই সুবিধা প্রদান করে থাকে। - গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. ‘X’ দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে পণ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করেন বিধায় তিনি 'অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য' (Internal Trade)-এর সাথে জড়িত।
অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১. মুদ্রা ব্যবস্থার অভিন্নতা: একই দেশের মধ্যে ব্যবসা হওয়ায় একই জাতীয় মুদ্রা ব্যবহৃত হয়, ফলে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারের ঝুঁকি বা সমস্যা থাকে না।
২. যোগাযোগ ও পরিবহন ব্যবস্থার সহজলভ্যতা: দেশের ভেতরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পণ্য পরিবহন তুলনামূলক সহজ, কম ব্যয়বহুল এবং এতে কোনো বৈদেশিক বন্দর বা কাস্টমস জটিলতা থাকে না।
৩. আইন ও নিয়মের সমতা: দেশের সব জায়গায় একই বাণিজ্যিক ও আইনি নিয়মাবলী এবং কর নীতিমালা প্রযোজ্য হওয়ায় ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত নীতিমালার সম্মুখীন হতে হয় না।
৪. ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক সুবিধা: ক্রেতা ও বিক্রেতার ভাষা ও সামাজিক রীতি এক হওয়ায় পণ্যের চাহিদা ও সরবরাহ সমন্বয় সহজ হয় এবং সহজে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। - ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে মি. ‘X’ দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করায় তার বাণিজ্যটি 'অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য' এবং মি. ‘Y’ ইউরোপের দেশগুলোর সাথে ব্যবসা করায় তার বাণিজ্যটি 'আন্তর্জাতিক বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য'। নিচে এদের মধ্যে পার্থক্য বিশ্লেষণ করা হলো:
১. ভৌগোলিক সীমা: মি. ‘X’-এর বাণিজ্য দেশের রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে পরিচালিত হয়; পক্ষান্তরে মি. ‘Y’-এর বাণিজ্য জাতীয় সীমানা অতিক্রম করে দুই বা ততোধিক সার্বভৌম দেশের মধ্যে সংঘটিত হয়।
২. মুদ্রা ব্যবস্থা: মি. ‘X’-এর বাণিজ্যে একটিমাত্র জাতীয় মুদ্রা ব্যবহৃত হয়, যা লেনদেনকে সহজ করে। কিন্তু মি. ‘Y’-কে বিভিন্ন দেশের ভিন্ন ভিন্ন মুদ্রা এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও রিজার্ভ সংক্রান্ত নিয়মের মুখোমুখি হতে হয়।
৩. নীতিগত ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ: মি. ‘X’-এর ক্ষেত্রে কোনো বৈদেশিক শুল্ক, কোটা বা আমদানি-রপ্তানি লাইসেন্সের কড়াকড়ি থাকে না। কিন্তু মি. ‘Y’-এর বাণিজ্যে শুল্ক, ট্যারিফ, আমদানি কোটা, বৈদেশিক বাণিজ্যের শর্তাবলী এবং আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ মেনে চলতে হয়।
৪. উৎপাদনের উপাদানের গতিশীলতা: অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে শ্রম ও মূলধনের গতিশীলতা স্বাভাবিক থাকলেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশের অভিবাসন ও মূলধন প্রবাহের বিধিনিষেধের কারণে উপাদানগুলোর গতিশীলতা সীমিত হয়।অতএব, উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী মি. ‘Y’ বৈদেশিক মুদ্রা, শুল্ক ও আন্তর্জাতিক আইনের কারণে বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হন, যা অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে নিয়োজিত মি. ‘X’-এর ক্ষেত্রে দেখা যায় না।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও