যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Cumilla Board • কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

রিয়াদ তার বন্ধু শিমুলের নিরুট পরামর্শ চাইল কীভাবে একজন সফল মৎস্য খামারী হওয়া যাবে। শিমুল বললো, যে কোনো বিষয়েরই কিছু নির্ধারিত ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতি এবং নিয়ম-কানুন রয়েছে। প্রথমেই তা তোমাকে জানতে হবে। তাদের কথা শুনে মুশফিক বললো, যে কোনো বিষয়ের কেবলমাত্র পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন জানলেই হবে না সেই সাথে উক্ত পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন বাস্তবে প্রয়োগ করার ব্যবহারিক কৌশল - জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যা কী?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তিবিদ্যাকে কি একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা যায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে শিমুলের বক্তব্যে কোন বিষয়টি নির্দেশিত হয়েছে? সে বিষয়ের সাথে যুক্তিবিদ্যার সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে শিমুল ও মুশফিকের বক্তব্যে নির্দেশিত বিষয় দুটির সাথে যুক্তিবিদ্যার পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনা করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যে ব্যবহারিক বিজ্ঞান সত্যকে অর্জন এবং মিথ্যাকে পরিহার করার উদ্দেশ্যে সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং তাদের সহায়তায় বৈধ ও অবৈধ যুক্তির মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করে, তাকে যুক্তিবিদ্যা বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, যুক্তিবিদ্যাকে একটি আদর্শনিষ্ঠ বিজ্ঞান বলা যায়। কারণ এটি কোনো বাস্তব বিষয়ের নিছক বর্ণনা দেয় না, বরং 'সত্য'-এর আদর্শকে সামনে রেখে যুক্তি বা চিন্তার সঠিক নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং সেসব নিয়মের নিরিখে বৈধ যুক্তি থেকে অবৈধ যুক্তিকে পৃথক করে সত্য অর্জনের পথ নির্দেশ করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে শিমুলের বক্তব্যে 'বিজ্ঞান'-এর স্বরূপ নির্দেশিত হয়েছে। বিজ্ঞান হলো কোনো বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল, সুনির্দিষ্ট ও নিয়মভিত্তিক জ্ঞান। শিমুল যেমন মৎস্য খামারী হওয়ার জন্য নির্ধারিত ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতি ও নিয়ম জানার কথা বলেছে, তেমনি বিজ্ঞানও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের নিয়ম-কানুন অনুসন্ধান করে। যুক্তিবিদ্যাও একটি বিজ্ঞান, কারণ এটি চিন্তার মৌলিক নিয়মাবলি সুশৃঙ্খলভাবে আলোচনা করে এবং সত্য অর্জনের পদ্ধতি নির্ণয় করে। তাই শিমুলের বক্তব্যের সাথে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক বা বিজ্ঞানমূলক দিকটি গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে শিমুলের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার 'বিজ্ঞান' রূপটি এবং মুশফিকের বক্তব্যে যুক্তিবিদ্যার 'কলা' রূপটি নির্দেশিত হয়েছে। বিজ্ঞান হলো তত্ত্ব বা নিয়মের জ্ঞান, আর কলা হলো সেই তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তবে সঠিকভাবে প্রয়োগ করার দক্ষতা। যুক্তিবিদ্যা কেবল চিন্তার নিয়মাবলি আলোচনা করে না (বিজ্ঞান), বরং কীভাবে সেই নিয়মগুলো প্রয়োগ করে নির্ভুলভাবে যুক্তি গঠন করা যায় এবং ভ্রান্তি পরিহার করা যায়, তার বাস্তব কৌশলও শিক্ষা দেয় (কলা)। যুক্তিবিদ অলড্রিচ, মিল প্রমুখের মতে যুক্তিবিদ্যা একাধারে বিজ্ঞান ও কলা। বিজ্ঞানের দিকটি তাত্ত্বিক ভিত্তি দেয় এবং কলার দিকটি ব্যবহারিক জীবনে সঠিক চিন্তার দক্ষতা তৈরি করে। সুতরাং, শিমুল ও মুশফিকের বক্তব্যে নির্দেশিত তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক প্রয়োগ—উভয় দিকই যুক্তিবিদ্যায় পারস্পরিকভাবে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন