পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Chattogram Board • চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২২
পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন
সাজ্জাদ পনেরো বছর বয়সের একজন কিশোর। তার চেহারা ও অবয়ব অন্য কিসরদের মতো না । সে অন্য কিশোরদের মতন নিয়মিত খেলাধুলা ও পড়াশোনা করতে পারে না। সাজ্জাদ প্রায়ই নিরব থাকে। তার মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু আচরণ প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। সাজ্জাদ অন্যদের তুলনায় কিছুটা বেশি সংবেদনশীল। সাজ্জাতের মত কিশোরদের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব অনেক।
- ক)(1)
ছয় দফা কর্মসূচিকে উত্থাপন করেন।
- খ)(2)
খাদ্য ভেজাল বলতে কী বোঝায়?
- গ)(3)
সাজ্জাদ কোন ধরনের কিশোর? পাঠ্য বইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা কর।
- ঘ)(4)
প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে সাজ্জাদের মত কিশোররা একদিন সম্পদে পরিণত হবে -তুমি কি একমত? আলোচনা কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
খাদ্য ভেজাল বলতে কোনো খাদ্যদ্রব্যের প্রকৃত গুণগত মান নষ্ট করে তাতে নিম্নমানের, অপ্রয়োজনীয়, ক্ষতিকর বা বিষাক্ত কোনো রাসায়নিক বা অন্যান্য পদার্থ মেশানোকে বোঝায়। অতিরিক্ত মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ীরা খাবারে কৃত্রিম রং, ফরমালিন, কীটনাশক বা অন্যান্য ভেজাল উপাদান মিশিয়ে থাকে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে বর্ণিত সাজ্জাদ একজন 'বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন' বা 'প্রতিবন্ধী' কিশোর।
যেসব শিশুর শারীরিক গঠন, বুদ্ধি, আবেগ বা সামাজিক আচরণ সাধারণ সমবয়সীদের তুলনায় ভিন্ন এবং যাদের স্বাভাবিক বিকাশ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড সম্পাদনের জন্য বিশেষ যত্ন ও সুযোগ-সুবিধার প্রয়োজন হয়, তাদের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বা প্রতিবন্ধী বলা হয়। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে সাজ্জাদের চেহারা ও অবয়ব অন্যদের মতো নয়, সে স্বাভাবিকভাবে খেলাধুলা ও পড়াশোনা করতে পারে না এবং তার মাঝে আচরণগত অস্বাভাবিকতা ও অতি-সংবেদনশীলতা দেখা যায়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন (অটিস্টিক বা শারীরিক/মানসিক প্রতিবন্ধী) কিশোরের বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
হ্যাঁ, আমি উদ্দীপকের বক্তব্যের সাথে সম্পূর্ণ একমত যে— প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পরিচর্যা পেলে সাজ্জাদের মতো কিশোররা একদিন সম্পদে পরিণত হতে পারে।
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সমাজের বোঝা বা অভিশাপ মনে না করে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা উচিত। উপযুক্ত শিক্ষা, বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং তাদের অনুকূল পরিবেশ দিলে তারা সমাজে কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম হয়। আধুনিক বিশ্বে অটিস্টিক বা প্রতিবন্ধী অনেক ব্যক্তি চিত্রকলা, তথ্যপ্রযুক্তি, সংগীত ও বিভিন্ন হস্তশিল্পে অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।
সমাজ ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, বিশেষায়িত বিদ্যালয় স্থাপন করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। পারিবারিক ও সামাজিক ভালোবাসা এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সাজ্জাদের মতো কিশোররাও তাদের অন্তর্নিহিত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে আত্মনির্ভরশীল হতে পারবে এবং জাতীয় অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নে ভূমিকা রেখে মানবসম্পদে পরিণত হবে। অতএব, উপযুক্ত সহযোগিতা তাদের সম্পদে রূপান্তরের প্রধান চাবিকাঠি।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও