ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Mymensingh Board • ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২২
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
মিসেস দিলরুবা একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক। তিনি একটি মেডিক্যাল কলেজে কর্মরত। অফিসের পর তিনি একটি ক্লিনিকে রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। তিনি গরিব রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন। প্রতিবছর তাকে নির্দিষ্ট হারে আয়কর দিতে হয়। মাঝে মাঝে তিনি ভাবেন যে, সবাই যদি যথাযথভাবে আয়কর দিত তবে দেশের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হতো।
- ক)(1)
প্রজনন শিল্প কী?
- খ)(2)
“আমদানি বাণিজ্য জীবনযাত্রার মানকে উন্নত করে”- ব্যাখ্যা কর ।
- গ)(3)
মিসেস দিলরুবার কার্যক্রম কোন ধরনের ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা কর ।
- ঘ)(4)
মিসেস দিলরুবার ভাবনাটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
যে শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রী পুনরায় উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হয়, তাকে প্রজনন শিল্প বলে (যেমন: নার্সারি, পোল্ট্রি ফার্ম)।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
আমদানি বাণিজ্যের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত হয় না বা ঘাটতি রয়েছে এমন উন্নতমানের ভোগ্যপণ্য, আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা বিদেশ থেকে আনা সম্ভব হয়। এর ফলে ভোক্তারা তাদের পছন্দ অনুযায়ী গুণগত মানসম্পন্ন বিভিন্ন পণ্য ভোগ করার সুযোগ পায়, যা মানুষের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানকে উন্নত করে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিসেস দিলরুবার ক্লিনিকে রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের কার্যক্রমটি ব্যবসায়ের 'প্রত্যক্ষ সেবা' (Direct Services) শাখার অন্তর্ভুক্ত।
গ্রাহকদের প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে সরাসরি প্রদত্ত কোনো কাজ, সুবিধা বা তৃপ্তিকে সেবা বা প্রত্যক্ষ সেবা বলে। প্রত্যক্ষ সেবায় সেবাদাতা ও সেবাগ্রহীতার সরাসরি সম্পর্ক থাকে এবং এটি দৃশ্যমান কোনো বস্তুগত পণ্য নয়, বরং এক ধরনের অদৃশ্যমান উপযোগ বা সুবিধা যার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা হয়।
উদ্দীপকে মিসেস দিলরুবা একজন স্বনামধন্য চিকিৎসক। তিনি অফিসের পর একটি ক্লিনিকে রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে ডাক্তারি সেবা প্রদান করা আধুনিক ব্যবসায়ের প্রত্যক্ষ সেবা বা পেশাগত সেবামূলক কার্যক্রমের অন্তর্গত। সুতরাং, তার কার্যক্রমটি প্রত্যক্ষ সেবার অন্তর্ভুক্ত।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মিসেস দিলরুবার ভাবনাটি হলো সময়মতো ও যথাযথভাবে সকলের আয়কর প্রদান করা, যা জাতীয় রাজস্ব বৃদ্ধি এবং দেশের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি আয়ের প্রধানতম উৎস হলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, যার মধ্যে আয়কর অন্যতম। নাগরিকরা তাদের আয়ের ওপর যথাযথ হারে কর প্রদান করলে সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব তহবিল বৃদ্ধি পায়। এই রাজস্বের মাধ্যমে সরকার রাস্তাঘাট, সেতু, বিদ্যুৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্য খাতের মতো মৌলিক অবকাঠামো গড়ে তোলে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
উদ্দীপকে মিসেস দিলরুবা নিজে নিয়মিত আয়কর প্রদান করেন এবং চিন্তা করেন যে, সবাই যদি যথাযথভাবে কর দিত তবে দেশের সার্বিক উন্নয়ন আরও দ্রুত ঘটত। প্রকৃতপক্ষে, কর ফাঁকি রোধ ও করজাল সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি পেলে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা কমে যায় এবং সরকার স্বাবলম্বী হয়ে বড় বড় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পারে। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয়।
অতএব, সকলের সততা ও নিষ্ঠার সাথে আয়কর প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব সমৃদ্ধ হয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয় বিধায় মিসেস দিলরুবার ভাবনাটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও