বাংলা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০২৪

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

আরাফ আর আয়মান যেন একবৃন্তে দুটি কুসুম। এইচএসসি পাশের পর দুজনই ভর্তি হলো তাদের কাঙ্ক্ষিত ও স্বপ্নের বুয়েটে। এর মধ্যে আয়মান আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজখবর নেয়- কারণ, বুয়েট শেষ করে সে আমেরিকা পাড়ি জমাতে চায়। কিন্তু আরাফের এককথা পড়াশোনা শেষ করে সে দেশেই থাকবে। যা করবে দেশের জন্যই করবে- এভাবে সবাই দেশ ছেড়ে গেলে দেশই-বা কীভাবে সমৃদ্ধি অর্জন করবে? আজ আয়মান আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু তার মন পড়ে থাকে দেশের বিস্তীর্ণ মাঠ, অবারিত ধানখেত, বন্ধুবান্ধব, ছুটোছুটি এসবের মধ্যে। আরাফের সাথে কথা বললেই সে তার ফেলে যাওয়া সবকিছু নিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে।

  1. ক)

    'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার অষ্টকের মিলবিন্যাস কীরূপ?

    (1)
  2. খ)

    'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় কবি কপোতাক্ষ নদকে দুগ্ধ-স্রোতোৰূপী বলেছেন কেন?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের শেষাংশে আয়মানের মাধ্যমে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির মনোভাবের কোন বিশেষ দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    "উদ্দীপকের আরাফ ও আয়মান 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতায় প্রতিফলিত মূল চেতনাকেই ধারণ করে আছে।"- বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার অষ্টকের মিলবিন্যাস কখখক, কখখক।

  2. খ)

    মা যেমন নিজের স্তনের দুধ দিয়ে শিশুকে লালন করেন, কপোতাক্ষ নদ তেমনি তার জল দিয়ে জন্মভূমিকে পুষ্ট করে। নদের স্রোত দুধের মতো স্নিগ্ধ ও জীবনদায়ী। তাই কবি জন্মভূমির স্তনে প্রবাহিত নদকে দুগ্ধ-স্রোতোরূপী বলেছেন। এতে নদের প্রতি কবির মাতৃস্নেহের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।

  3. গ)

    উদ্দীপকের শেষাংশে আয়মানের মাধ্যমে 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার কবির প্রবাসজীবনে স্বদেশের জন্য স্মৃতিকাতরতা ও গভীর টানের দিকটি ইঙ্গিত করে।

    ১. আয়মান আমেরিকায় প্রতিষ্ঠিত, তবু তার মন দেশের মাঠ, ধানখেত ও বন্ধুদের জন্য কাঁদে।
    ২. কবিও প্রবাসে বসে কপোতাক্ষ নদের কথা ভুলতে পারেন না।
    ৩. দুজনেরই মনে প্রিয় জন্মভূমি স্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে।

  4. ঘ)

    উক্তিটি যথার্থ। 'কপোতাক্ষ নদ' কবিতার মূল চেতনা স্বদেশপ্রেম ও স্মৃতিকাতরতা, আর আরাফ ও আয়মান উভয়ের মধ্যেই তা প্রতিফলিত।

    ১. আয়মান: বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েও সে দেশের মাঠ, ধানখেত ও বন্ধুদের জন্য আবেগাপ্লুত। কবির মতো সে স্বদেশের জন্য ব্যাকুল।
    ২. আরাফ: সে দেশেই থাকতে চায় এবং দেশের জন্য কাজ করতে চায়। এটি গভীর স্বদেশপ্রেমেরই প্রকাশ।
    ৩. কবিতার চেতনা: কবিও প্রবাসে বসে স্বদেশের নদের জন্য আকুল, যেখানে জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসাই প্রধান।

    সুতরাং, আরাফ ও আয়মান উভয়েই কবিতার মূল চেতনা ধারণ করেছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন