যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২১

যুক্তিবিদ্যা ১ম পত্র প্রশ্ন

দৃশ্যকল্প-১: সাকিব জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষকের বক্তব্য থেকে একটি ব্যাঙকে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ব্যবচ্ছেদ করার বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করলো।
দৃশ্যকল্প-২: নাবিল জীববিজ্ঞান ক্লাস থেকে ব্যাঙকে বিভিন্ন অঙ্গে ব্যবচ্ছেদ করার জ্ঞান অর্জন করে পরীক্ষাগারে গিয়ে একটি ব্যাঙকে বিভিন্ন অংশে ব্যবচ্ছেদ করতে সক্ষম হলো।

  1. ক)

    যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় কী?

    (1)
  2. খ)

    যুক্তিবিদ্যাকে অনুমানমূলক বিজ্ঞান বলা যায় কি? ব্যাখ্যা করো।

    (2)
  3. গ)

    দৃশ্যকল্প-১ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপের কোন দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ মধ্যে কোন বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় বেশি কার্যকর? মতামত দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যুক্তিবিদ্যার প্রধান আলোচ্য বিষয় হলো অনুমান (Inference) বা যুক্তিপদ্ধতি।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    হ্যাঁ, যুক্তিবিদ্যাকে অনুমানমূলক বিজ্ঞান বলা যায়। কারণ যুক্তিবিদ্যার মূল লক্ষ্য হলো সত্য উদঘাটন করা এবং এই সত্য উদঘাটনের জন্য জানা সত্যের ওপর ভিত্তি করে অজানা সত্যে পৌঁছানোর মানসিক প্রক্রিয়া অর্থাৎ অনুমান ব্যবহার করা হয়। যুক্তিবিদ্যা অনুমানের নিয়মাবলি প্রণয়ন করে এবং অবৈধ যুক্তি থেকে বৈধ যুক্তির পার্থক্য নির্দেশ করে। তাই অনুমানকে কেন্দ্র করেই যুক্তিবিদ্যার আলোচনা আবর্তিত হয় বলে একে অনুমানমূলক বিজ্ঞান বলা হয়।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ এ যুক্তিবিদ্যার স্বরূপ হিসেবে 'বিজ্ঞান' (বা তাত্ত্বিক বিজ্ঞান) দিকটির প্রতিফলন ঘটেছে।

    বিজ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সুশৃঙ্খল ও তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদান করে। দৃশ্যকল্প-১ এ সাকিব শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের বক্তব্য থেকে একটি ব্যাঙকে কীভাবে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ব্যবচ্ছেদ করতে হয়, সেই সম্পর্কিত তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করেছে। এখানে কেবল নিয়ম বা প্রক্রিয়ার তাত্ত্বিক দিকটি জানা হয়েছে, বাস্তব প্রয়োগ ঘটানো হয়নি। একইভাবে যুক্তিবিদ্যা যখন বৈধ চিন্তার সাধারণ নিয়মাবলি আবিষ্কার ও বিশ্লেষণ করে, তখন তা তাত্ত্বিক বিজ্ঞান হিসেবে কাজ করে। সুতরাং সাকিবের এ তাত্ত্বিক জ্ঞানার্জন যুক্তিবিদ্যার বিজ্ঞান রূপটিকে নির্দেশ করে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ এর মধ্যে দৃশ্যকল্প-২ বিষয়টি যুক্তিবিদ্যায় বেশি কার্যকর।

    দৃশ্যকল্প-১ এ যুক্তিবিদ্যার কেবল তাত্ত্বিক দিক (বিজ্ঞান) এবং দৃশ্যকল্প-২ এ তাত্ত্বিক জ্ঞানের বাস্তব প্রয়োগ অর্থাৎ কলা বা ব্যবহারিক রূপ ফুটে উঠেছে। নাবিল কেবল ব্যাঙ ব্যবচ্ছেদের জ্ঞান অর্জনই করেনি, বরং গবেষণাগারে গিয়ে হাতে-কলমে ব্যবচ্ছেদ সম্পন্ন করেছে।

    যুক্তিবিদ্যা একদিকে বিজ্ঞান এবং অন্যদিকে কলা। বিজ্ঞান হিসেবে যুক্তিবিদ্যা সঠিক চিন্তার নিয়মাবলি আলোচনা করে এবং কলা হিসেবে এটি বাস্তব চিন্তায় বা যুক্তির ক্ষেত্রে সেই নিয়মাবলির সঠিক প্রয়োগ শেখায়। কেবল নিয়ম জেনে বসে থাকলে যুক্তিবিদ্যার মূল উদ্দেশ্য সাধিত হয় না; চিন্তাকে ভ্রান্তিহীন ও সুসংগত করতে হলে সেই নিয়মগুলোর বাস্তব প্রয়োগ অপরিহার্য। অতএব, যুক্তিবিদ্যার উদ্দেশ্য অর্জনে তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে তার বাস্তব প্রয়োগশীলতা অর্থাৎ কলা রূপটি (দৃশ্যকল্প-২) বেশি কার্যকর ও ফলপ্রসূ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন