‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা • নটর ডেম কলেজ, ঢাকা টেস্ট পরীক্ষা ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র প্রশ্ন

সর্বোত্তম অনুমানভিত্তিক উত্তর — আনুষ্ঠানিক উত্তর নয়: মূল তথ্য বা উত্তরে অস্পষ্টতা/অসম্পূর্ণতা রয়েছে। প্রদত্ত উত্তরটি নিশ্চিত নয়; যাচাই করে ব্যবহার করো।

জনাব শিবলী সর্বদা শিক্ষার্থীদের কল্যাণের কথা চিন্তা করেন। তিনি সকল শিক্ষার্থীর সাথে একই রকম আচরণ করেন। কোনো কাজকেই তিনি ছোট মনে করেন না। সময়ের কাজ সময়ে করা তার অভ্যাস। অন্যদিকে, জনাব সিরাজ অবৈধ ব্যবসা করে রাতারাতি বড়লোক হয়েছেন। শ্রমিকদের তিনি নির্দয়ভাবে খাটান। গরিব, অসহায় কেউই তার কাছে সাহায্য চেয়ে পান না।

  1. ক)

    তথ্য অধিকার আইন প্রথম কোন দেশে চালু হয়?

    (1)
  2. খ)

    মানবাধিকার বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    জনাব শিবলীর মধ্যে সামাজিক মূল্যবোধের কোন উপাদানগুলো অনুপস্থিত? ব্যাখ্যা কর।

    (3)
  4. ঘ)

    জনাব সিরাজকে কী মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ বলা যায়? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: গ অংশের প্রশ্নে 'অনুপস্থিত' শব্দটি সম্ভবত টাইপো বা ত্রুটিপূর্ণ; তবে আক্ষরিক অর্থ এবং সম্ভাব্য মূল উদ্দেশ্য (উপস্থিত উপাদান) উভয় দিক বিবেচনায় রেখে সমাধান প্রস্তুত করা হয়েছে।

    তথ্য অধিকার আইন প্রথম সুইডেনে চালু হয় (১৭৬৬ সালে)।

  2. খ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: গ অংশের প্রশ্নে 'অনুপস্থিত' শব্দটি সম্ভবত টাইপো বা ত্রুটিপূর্ণ; তবে আক্ষরিক অর্থ এবং সম্ভাব্য মূল উদ্দেশ্য (উপস্থিত উপাদান) উভয় দিক বিবেচনায় রেখে সমাধান প্রস্তুত করা হয়েছে।

    মানুষ হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা ও মৌলিক অধিকার অপরিহার্য, সেগুলোকে মানবাধিকার বলে।
    জাতিসংঘ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর 'সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র' গ্রহণ করে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে পৃথিবীর সকল মানুষের ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ, মানবিক মর্যাদা এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক মানবাধিকারের সংরক্ষণ ও চর্চা অত্যন্ত জরুরি।

  3. গ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: গ অংশের প্রশ্নে 'অনুপস্থিত' শব্দটি সম্ভবত টাইপো বা ত্রুটিপূর্ণ; তবে আক্ষরিক অর্থ এবং সম্ভাব্য মূল উদ্দেশ্য (উপস্থিত উপাদান) উভয় দিক বিবেচনায় রেখে সমাধান প্রস্তুত করা হয়েছে।

    [লক্ষণীয়: উদ্দীপকে জনাব শিবলীর চরিত্রে মূল্যবোধের ইতিবাচক দিকগুলোর স্পষ্ট সমাবেশ থাকায় প্রশ্নটিতে 'অনুপস্থিত'-এর স্থলে 'উপস্থিত/প্রতিফলিত' হওয়া অধিক যুক্তিযুক্ত।]

    যদি প্রশ্নটি 'উপস্থিত/প্রতিফলিত' মূল্যবোধ সম্পর্কে হয়:
    জনাব শিবলীর মধ্যে সামাজিক সমতা বা সাম্য, শ্রমের মর্যাদা এবং সময়নিষ্ঠা বা শৃঙ্খলাবোধের উপাদানগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে তিনি সকল শিক্ষার্থীর সাথে সমান আচরণ করেন, যা 'সামাজিক সাম্য ও ন্যায়ের' প্রতীক। তিনি কোনো কাজকে ছোট মনে করেন না, যা 'শ্রমের মর্যাদা' নির্দেশ করে। এছাড়া সময়ের কাজ সময়ে করার মাধ্যমে তাঁর 'সময়নিষ্ঠা ও নিয়মানুবর্তিতা' প্রকাশ পায়।

    যদি প্রশ্নটির আক্ষরিক পাঠ ('অনুপস্থিত') বজায় রাখা হয়:
    জনাব শিবলীর ব্যক্তিগত ও শিক্ষাদানের পরিমণ্ডলে মূল্যবোধের উপাদানগুলো সমুন্নত থাকলেও বৃহত্তর সমাজ ও সমষ্টির প্রেক্ষাপটে সামগ্রিক সামাজিক নেতৃত্ব, প্রতিরোধমূলক সামাজিক দায়বদ্ধতা (যেমন—অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা প্রতিকার) কিংবা বৃহৎ পরিসরে সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের উল্লেখ তাঁর বিবরণে অনুপস্থিত রয়েছে। তবে সামগ্রিক পাঠে এটি মূলত মূল্যবোধের ইতিবাচক উপস্থিতিরই বিবরণ।

  4. ঘ)

    AI-লিখিত অনুমানভিত্তিক উত্তর—ধারণা ও সীমাবদ্ধতা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি উৎসের যাচাইকৃত মূল উত্তর হিসেবে দাবি করা হচ্ছে না।

    স্পষ্ট অনুমান: গ অংশের প্রশ্নে 'অনুপস্থিত' শব্দটি সম্ভবত টাইপো বা ত্রুটিপূর্ণ; তবে আক্ষরিক অর্থ এবং সম্ভাব্য মূল উদ্দেশ্য (উপস্থিত উপাদান) উভয় দিক বিবেচনায় রেখে সমাধান প্রস্তুত করা হয়েছে।

    না, জনাব সিরাজকে কোনোভাবেই মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ বলা যায় না।

    সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের ভালো-মন্দ বিচার করার এবং কাঙ্ক্ষিত আচরণ পরিচালনার সমাজস্বীকৃত মাপকাঠি বা নীতিমান। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহানুভূতি, শ্রমিকের প্রতি সুবিচার এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান উপাদান।

    উদ্দীপকের জনাব সিরাজের কর্মকাণ্ডে দেখা যায়:
    ১. সততা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব: তিনি অবৈধ ব্যবসা করে রাতারাতি অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন, যা আইন ও নৈতিকতাবিরোধী।
    ২. শ্রমের অবমূল্যায়ন ও অমানবিকতা: তিনি শ্রমিকদের নির্দয়ভাবে খাটান, যা শ্রমের মর্যাদাহানি ও নিষ্ঠুরতার পরিচায়ক।
    ৩. সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতাহীনতা: গরিব ও অসহায় মানুষ সাহায্য চেয়েও তাঁর কাছে পায় না, যা তাঁর সহানুভূতিহীন ও স্বার্থপর মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

    সুতরাং, অনৈতিকতা, অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন, শোষণমূলক মানসিকতা এবং নিষ্ঠুর আচরণের কারণে জনাব সিরাজকে নীতিবান বা মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ বলা যায় না।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন