বাংলা ১ম পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

তরুতলে বসি পান্থ শ্রান্তি করে দূর,ফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর।বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়,তরু তবু অকাতরে কিছু নাহি কয় ।

  1. ক)

    বনফুলের প্রকৃত নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    "শিকড় অনেকদূর চলে গেছে'— একথা কেন বলা হয়েছে?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের সাথে 'নিমগাছ' রচনার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    “উদ্দীপকটিতে 'নিমগাছ' রচনার সমগ্রভাব প্রকাশ পায়নি – মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    বনফুলের প্রকৃত নাম বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।

  2. খ)

    গল্পে নিমগাছের শিকড় মাটির গভীরে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে বোঝাতে কথাটি বলা হয়েছে। এর ফলে গাছটিকে সহজে উপড়ে ফেলা যায় না। প্রতীকী অর্থে, নিমগাছের মতো উপকারী ও নিঃস্বার্থ মানুষের সংসার ও সমাজের সাথে সম্পর্ক এতটাই গভীর যে তাকে আলাদা করা সহজ নয়।

  3. গ)

    উদ্দীপকে বৃক্ষ পথিককে ছায়া ও ফল দিয়ে আনন্দ দেয়, কিন্তু পথিক বিদায়ের সময় তার ডাল ভেঙে নিয়ে যায়। তবু বৃক্ষ নীরব থাকে। 'নিমগাছ' গল্পেও নিমগাছ মানুষের নানা প্রয়োজন মেটায়, মানুষ তার ডাল-পাতা নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে ও কেটে ফেলতে চায়, কিন্তু গাছ প্রতিবাদ করে না। এখানে উভয় রচনায় নিঃস্বার্থ উপকার, মানুষের স্বার্থপরতা ও উপকারীর নীরব সহনশীলতার সাদৃশ্য রয়েছে।

  4. ঘ)

    মন্তব্যটি যথার্থ।

    ১. উদ্দীপকের সীমাবদ্ধতা: উদ্দীপকে শুধু বৃক্ষের নিঃস্বার্থ দান ও মানুষের অকৃতজ্ঞ আচরণ আছে।
    ২. গল্পের বিস্তৃতি: 'নিমগাছ' গল্পে নিমগাছ সংসারে অবহেলিত নারী ও সমাজের সাধারণ উপকারী মানুষের প্রতীক। গল্পে বিভিন্ন মানুষ নিমগাছকে নিজের স্বার্থে নানাভাবে ব্যবহার করে, কিন্তু কেউ তাকে ভালোবাসে না। এই সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা উদ্দীপকে নেই।
    ৩. গভীর ব্যঞ্জনা: গল্পে উপকারীর গভীর সম্পর্কের ইঙ্গিত এবং স্বার্থপরতার বিরুদ্ধে লেখকের নীরব প্রতিবাদও আছে।

    সুতরাং, উদ্দীপকে 'নিমগাছ' গল্পের সমগ্র ভাব প্রকাশ পায়নি, কেবল আংশিক ভাব প্রকাশ পেয়েছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন