‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

‍পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র প্রশ্ন

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর ভারতবর্ষের মুসলমান নেতৃবৃন্দ তাঁদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করতে থাকেন। এরই প্রেক্ষিতে ঢাকায় এক শিক্ষা সম্মেলনে একটি মুসিলম রাজনৈতিক সংগঠনের জন্ম হয়। এ রাজনৈতিক সংগঠনটি পরবর্তীতে ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

  1. ক)

    AIDS-এর ভাইরাসের নাম কী?

    (1)
  2. খ)

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত দলটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে উদ্দীপকে বণিত রাজনৈতিক দলটির ভূমিকা মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    AIDS সৃষ্টিকারী ভাইরাসের নাম HIV (Human Immunodeficiency Virus)।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    জলবায়ু পরিবর্তন বলতে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সামগ্রিকভাবে পৃথিবীর দীর্ঘমেয়াদি (সাধারণত ৩০-৩৫ বছর বা তার বেশি সময়) গড় আবহাওয়া বা জলবায়ুর উপাদানসমূহের (যেমন: তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা ইত্যাদি) স্থায়ী পরিবর্তনকে বোঝায়। মানুষের অপরিকল্পিত কার্যকলাপ ও প্রাকৃতিকভাবে গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এর অন্যতম প্রধান কারণ।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রাজনৈতিক দলটির নাম 'সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ', যা ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়।

    মুসলিম লীগের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ ছিল:
    ১. ব্রিটিশ সরকারের প্রতি ভারতীয় মুসলমানদের আনুগত্য বৃদ্ধি করা এবং সরকারের গৃহীত নীতি সম্পর্কে তাদের ভুল ধারণা দূর করা।
    ২. ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক ও অন্যান্য স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের অভাব-অভিযোগ ও দাবি-দাওয়া সরকারের কাছে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে পেশ করা।
    ৩. মুসলমানদের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না করে ভারতের অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে এবং ভারতীয় মুসলমানদের জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারা বিকাশে মুসলিম লীগের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী।

    ১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে মুসলিম লীগ ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ রক্ষায় কাজ শুরু করে। ১৯০৯ সালের মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইনে মুসলমানদের জন্য পৃথক নির্বাচনের অধিকার আদায় করা ছিল এর অন্যতম বড় সাফল্য। পরবর্তীতে ১৯১৬ সালের লক্ষ্ণৌ চুক্তির মাধ্যমে মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস যৌথভাবে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগ নেয়।

    তবে পরবর্তীতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সাথে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য সুস্পষ্ট হলে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর নেতৃত্বে মুসলিম লীগ স্বাধিকার আদায়ে অনড় অবস্থান নেয়। ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের মাধ্যমে উপমহাদেশের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলো নিয়ে স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি উত্থাপিত হয়। এই লাহোর প্রস্তাবই পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজন এবং স্বাধীন পাকিস্তানের জন্মের ভিত্তি রচনা করে।

    সুতরাং বলা যায়, ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলমানদের অধিকার আদায় এবং উপমহাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্র পুনর্গঠনে মুসলিম লীগ নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন