অর্থনীতি ২য় পত্র • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

অর্থনীতি ২য় পত্র প্রশ্ন

৮.৮ ও ৪ দুটি দেশ। এ দেশ দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বিভিন্ন অন্যলে ক্রয়-বিক্রয় করে। অন্যদিকে ও দেশ তার উদ্বৃত্ত পণ্যসামগ্রী বাইরের দেশসমূহের বাজারে বিক্রয় করে। আবার অন্য দেশের পণ্য তার নিজের দেশের জন্য ক্রয় করে। এতে ৪ দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে, অনুৎপাদিত দ্রব্য ভোগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

  1. ক)

    বিশ্বায়ন কী?

    (1)
  2. খ)

    অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য বলতে কী বোঝায়?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকে 'A' ও 'B' দেশের বাণিজ্যের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকে বর্ণিত বাণিজ্য কীভাবে 'B' দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে-বিশ্লেষণ করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বিশ্বায়ন হলো এমন একটি সামগ্রিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা রাজনৈতিক সীমানা পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী পরস্পরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত ও সমন্বিত হয়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যেসব দ্রব্য কোনো দেশ অতীতে নিয়মিত বা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি করত না, কিন্তু সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোর চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় রপ্তানি শুরু করেছে, সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্য বলা হয়। যেমন— বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক, হিমায়িত খাদ্য (চিংড়ি), হস্তশিল্প, ওষুধ, কৃষিজাত প্রক্রিয়াজাত পণ্য ইত্যাদি। এসব পণ্য রপ্তানি আয়ে বৈচিত্র্য আনতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে 'A' দেশের বাণিজ্যের প্রকৃতি হলো অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য এবং 'B' দেশের বাণিজ্যের প্রকৃতি হলো আন্তর্জাতিক বা বৈদেশিক বাণিজ্য।

    একটি নির্দিষ্ট দেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চল বা ব্যক্তিবর্গের মধ্যে যে কেনাবেচা সংঘটিত হয়, তাকে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলে। উদ্দীপকে 'A' দেশ নিজ সীমানার মধ্যে দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রয়-বিক্রয় করে, যা স্পষ্টতই অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের বৈশিষ্ট্য। এখানে মুদ্রা, আইনকানুন ও বাজার ব্যবস্থা অভিন্ন থাকে।

    অন্যদিকে, দুই বা ততোধিক স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের মধ্যে ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে দ্রব্য ও সেবার যে আদান-প্রদান ঘটে, তাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলে। উদ্দীপকে 'B' দেশ তার উদ্বৃত্ত পণ্য বিদেশের বাজারে বিক্রি করে (রপ্তানি) এবং প্রয়োজনীয় পণ্য অন্য দেশ থেকে কেনে (আমদানি)। ফলে 'B' দেশের বাণিজ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আওতাভুক্ত।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে বর্ণিত বাণিজ্যটি হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, যা 'B' দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে বহুমুখী ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে একটি দেশ তার উদ্বৃত্ত পণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারে। উদ্দীপকে উল্লেখ রয়েছে, 'B' দেশ তার উদ্বৃত্ত পণ্য বাইরের দেশে বিক্রির মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণ করেছে। এর ফলে দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নতুন নতুন শিল্প গড়ে ওঠায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যা বেকারত্ব দূরীকরণে সহায়ক।

    এছাড়া, যেসব দ্রব্য নিজ দেশে উৎপাদন করা ব্যয়বহুল বা অসম্ভব, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বদৌলতে তা অন্য দেশ থেকে আমদানি করে ভোগের সুযোগ তৈরি হয়। উদ্দীপকে যেমন বলা হয়েছে, 'B' দেশের জনগণ অনুৎপাদিত দ্রব্য ভোগের সুবিধা পাচ্ছে। এটি ভোক্তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করে। পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তি, মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি করে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। প্রাকৃতিক সম্পদের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং তুলনামূলক সুবিধা অর্জিত হয়।

    সুতরাং, উদ্বৃত্ত রপ্তানি, প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য 'B' দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে অপরিহার্য ভূমিকা রাখছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন