কৃষিশিক্ষা • Dinajpur Board • দিনাজপুর বোর্ড ২০২২

কৃষিশিক্ষা প্রশ্ন

ছালেহা খাতুন তার বাড়ির চারপাশের পতিত জমিতে বিভিন্ন ধরনের শীতকালিন ও গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির চাষ করেন। এতে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে তিনি কিছু কিছু সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবেও লাভবান হন । এবার তিনি বাণিজ্যিকভাবে চালকুমড়া চাষের সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন স্থানে ৬টি মাদা তৈরি করেন ।

  1. ক)

    হানিকুইন কোন ফসলের জাত?

    (1)
  2. খ)

    রোগীর খাবারে কলা ব্যবহৃত হয় কেন?

    (2)
  3. গ)

    ছালেহা খাতুনের তৈরিকৃত মাদায় জৈব সারের পরিমাণ নির্ণয় করো ।

    (3)
  4. ঘ)

    ছালেহা খাতুনের কর্মকাণ্ড শুধুমাত্র পরিবারের পুষ্টির চাহিদাই পূরণ করে না, আর্থিক সচ্ছলতা আনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে— বিশ্লেষণ করো ।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    হানিকুইন আনারসের একটি জাত।

  2. খ)

    কলা সহজপাচ্য ফল। এতে শর্করা থাকায় তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া যায় এবং পটাশিয়াম, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। কাঁচা কলা বা পাকা কলা দুর্বল রোগীর পেট খারাপ না করে পুষ্টি জোগায়। তাই রোগীর খাবারে কলা ব্যবহৃত হয়।

  3. গ)

    চালকুমড়ার প্রতিটি মাদায় সাধারণত ১০ কেজি পচা গোবর বা জৈব সার প্রয়োজন হয়।

    মাদার সংখ্যা = ৬টি

    মোট জৈব সার = 6×106 \times 10 কেজি = ৬০ কেজি।

    সুতরাং, ছালেহা খাতুনের ৬টি মাদায় মোট ৬০ কেজি জৈব সার প্রয়োজন।

  4. ঘ)

    ছালেহা খাতুনের বাড়ির চারপাশে পতিত জমিতে শাক-সবজি চাষ পরিবারের পুষ্টি ও আয় দুই দিকেই ভূমিকা রাখে। উক্তিটি যথার্থ।

    ১. পুষ্টির চাহিদা পূরণ: শাক-সবজিতে ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ আছে। নিজের বাগানের তাজা সবজি খেয়ে পরিবার সুষম পুষ্টি পায়।
    ২. পতিত জমির ব্যবহার: অব্যবহৃত জমি কাজে লাগিয়ে তিনি উৎপাদন বাড়িয়েছেন, বাড়তি জমির প্রয়োজন হয়নি।
    ৩. আর্থিক সচ্ছলতা: পারিবারিক চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে নিয়মিত আয় করছেন। এখন বাণিজ্যিকভাবে চালকুমড়া চাষ করলে আয় আরও বাড়বে।
    ৪. সারা বছর উৎপাদন: শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমের সবজি চাষ করায় বছরজুড়ে আয় ও খাদ্য নিশ্চিত হয়।

    সুতরাং, তাঁর কর্মকাণ্ড পুষ্টি নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বচ্ছলতা উভয়ই আনছে।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন