ইতিহাস ১ম পত্র • Dhaka Board • ঢাকা বোর্ড ২০১৭
ইতিহাস ১ম পত্র প্রশ্ন
মধ্যপ্রাচ্যে আইএস হুমকি ও হত্যাযজ্ঞের কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিরিয়াবাসী শরণার্থী হিসেবে প্রতিবেশী দেশ তুরস্কে আশ্রয় নিচ্ছে। তুরস্ক সরকার তাদের জন্য সাধ্যমত শরণার্থী শিবির স্থাপন করে সহযোগিতা করছে। অধিকন্তু সিরিয়ার বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো সাহায্য ও মানবিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।
- ক)(1)
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
- খ)(2)
মুক্তিযুদ্ধে সাত নং সেক্টরের অবস্থান ব্যাখ্যা করো।
- গ)(3)
উদ্দীপকের মত মুক্তিযুদ্ধে কোন দেশ বাংলাদেশকে অনুরূপ সহযোগিতা করে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উত্ত দেশের সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডই বাংলাদেশের বিজয়কে নিশ্চিত করে- পাঠ্যবইয়ের আলোকে মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
মুক্তিযুদ্ধে ৭ নম্বর সেক্টরের ভৌগোলিক সীমানা ছিল রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল তরঙ্গপুর। সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব এবং পরবর্তীতে মেজর কাজী নুরুজ্জামান। উত্তরাঞ্চলের এই সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধ পরিচালিত হয়।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকে সিরীয় শরণার্থীদের আশ্রয় ও সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে তুরস্কের যে ভূমিকা দেখা যায়, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অনুরূপ ভূমিকা পালন করেছিল।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম গণহত্যা ও নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে প্রায় এক কোটি বাংলাদেশি ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নেন। ভারত সরকার মানবিক দিক বিবেচনা করে বিশাল এই জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়, অন্ন, বস্ত্র ও চিকিৎসা প্রদান করে। পাশাপাশি মুক্তিবাহিনীকে অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহায়তা দিয়ে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে, যা উদ্দীপকে তুরস্কের সিরিয়াবাসীদের আশ্রয় ও সাহায্য প্রদানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উক্তিটি অত্যন্ত যথার্থ; ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সর্বাত্মক সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের বিজয় ত্বরান্বিত ও নিশ্চিত করেছিল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারত প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে দীর্ঘ নয় মাস আশ্রয়, খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সেবা দেয়। এছাড়া মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান, ক্যাম্প স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহে ভারত মুখ্য ভূমিকা রাখে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে বিশ্বজনমত বাংলাদেশের পক্ষে আনতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী অনন্য অবদান রাখেন। অবশেষে ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতে বিমান হামলা চালালে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং ভারতীয় সেনাবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সমন্বয়ে 'যৌথ কমান্ড' গঠিত হয়। এই মিত্রবাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী পর্যুদস্ত হয় এবং মাত্র ১৩ দিনের প্রত্যক্ষ যৌথ অভিযানে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। সুতরাং, ভারতের এই বহুমুখী সহযোগিতাই বাংলাদেশের দ্রুত বিজয় নিশ্চিত করেছিল।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও