ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র • Rajshahi Board • রাজশাহী বোর্ড ২০১৭
ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র প্রশ্ন
বাংলাদেশে রয়েছে প্রচুর জনশক্তি। এ জনপত্তি ও সম্ভা শ্রমিকের ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠেছে পোশাক শিল্প। বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিদেশে যথেষ্ট সুনাম আছে। তবে পোশাক শিল্পে অনেক সমস্যা আছে। নানাবিধ সমস্যার কারণে এ শিল্পের উন্নয়ন কিছু বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
- ক)(1)
অর্থনৈতিক পরিবেশ কী?
- খ)(2)
সামাজিক পরিবেশ বলতে কি বোঝায়?
- গ)(3)
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে কোন পরিবেশ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করছে? ব্যাখ্যা করো।
- ঘ)(4)
উদ্দীপকের আলোকে পোশাক শিল্পের উন্নয়নে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত? মতামত দাও।
উত্তর ও ব্যাখ্যা
- ক)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
কোনো দেশের জনগণের আয়, সঞ্চয়, ঋণ, বিনিয়োগ, মূলধন, অর্থ ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইত্যাদির সমন্বয়ে যে পরিবেশ গড়ে ওঠে, তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।
- খ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
সামাজিক পরিবেশ বলতে সমাজের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় আচার-আচরণের সমন্বয়ে গঠিত পারিপার্শ্বিক অবস্থাকে বোঝায়। এটি মানুষের আচরণ, জীবনযাত্রা এবং ব্যবসায়ের ধরন ও পরিচালনায় প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলে।
- গ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে অর্থনৈতিক পরিবেশের অন্যতম উপাদান 'শ্রমশক্তি বা মানবসম্পদ' সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করছে।
কোনো দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রাপ্ত প্রাকৃতিক সম্পদ ও দক্ষ-সস্তা শ্রমশক্তি। শিল্প উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে শ্রম উৎপাদন ব্যয় কমাতে এবং প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লেখ আছে যে, বাংলাদেশে প্রচুর জনশক্তি রয়েছে এবং এ জনশক্তি ও সুলভ/সস্তা শ্রমিকের ওপর নির্ভর করেই দেশের তৈরি পোশাক শিল্প গড়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে কম খরচে পণ্য উৎপাদন করে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পেছনে এ দেশের সহজলভ্য ও সস্তা মানবসম্পদ সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। সুতরাং, অর্থনৈতিক পরিবেশের মানবসম্পদ ও সুলভ শ্রমের উপাদানটিই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে।
- ঘ)
AI-তৈরি নমুনা উত্তর
উদ্দীপকের আলোকে পোশাক শিল্পের উন্নয়নে নানাবিধ কাঠামোগত, কারিগরি ও নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
বাংলাদেশের পোশাক শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে সুনাম অর্জন করলেও নানা ধরনের সমস্যায় এ শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা দূরীকরণে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা আবশ্যক:
১. শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি: অদক্ষ শ্রমিকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে হবে।
২. কাজের উপযুক্ত পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ: কারখানায় পেশাগত নিরাপত্তা, উন্নত কর্মপরিবেশ ও কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে হবে।
৩. ন্যায্য মজুরি ও কল্যাণমূলক সুবিধা: শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে অসন্তোষ দূর করা প্রয়োজন।
৪. অবকাঠামোগত উন্নয়ন: নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, গ্যাস সরবরাহ এবং বন্দর ও পরিবহন ব্যবস্থার গতিশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে।
৫. বাজার বহুমুখীকরণ: শুধু প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভর না করে নতুন নতুন দেশে পোশাক রপ্তানির বাজার সৃষ্টি করতে হবে।পরিশেষে বলা যায়, উপরোক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পোশাক শিল্পের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এ শিল্পকে আরো সুদৃঢ় করা সম্ভব।
আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও