বাংলা ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮

বাংলা ১ম পত্র প্রশ্ন

আমরা চলি সম্মুখপানেকে আমাদের বাঁধবে?রইল যারা পিছুর টানেকাঁদবে তারা কাঁদবে।ছিঁড়ব বাধা রক্ত পায়ে, চলব ছুটে রৌদ্রে ছায়ে জড়িয়ে ওরা আপন গায়ে কেবলই ফাঁদ ফাঁদবে।

  1. ক)

    আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে কী ভাঙতে চায়?

    (1)
  2. খ)

    "এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য।"- এ কথার তাৎপর্য কী?

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকের সাদৃশ্য লক্ষণীয়? ব্যাখ্যা করো।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার যে ভাবগত মিল রয়েছে, তা কোন অর্থে ইতিবাচক? মূল্যায়ন করো।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    আঠারো বছর বয়স পদাঘাতে পাথর ভাঙতে চায়।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    যৌবনের প্রারম্ভে তরুণরা দেশ ও দশের মঙ্গলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে আত্মত্যাগে কুণ্ঠাবোধ করে না— এ বিষয়টি বোঝাতেই প্রশ্নোক্ত কথাটি বলা হয়েছে।

    'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তারুণ্যের অপরাজেয় শক্তি ও ত্যাগের মহিমা তুলে ধরেছেন। এ বয়সের তরুণেরা কোনো অন্যায় বা নিপীড়নের কাছে মাথানত করে না। তারা ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে দেশের প্রয়োজনে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অকাতরে নিজের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিতে সদা প্রস্তুত থাকে। তরুণদের এই নিঃস্বার্থ আত্মদানই রক্তদানের পুণ্য হিসেবে আখ্যায়িত।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের ভাবার্থের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার বাধা-বিপত্তি অগ্রাহ্য করে সম্মুখপানে এগিয়ে চলার বলিষ্ঠ প্রত্যয়ের সাদৃশ্য লক্ষণীয়।

    'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তরুণদের দুর্দমনীয় সাহস, গতিশীলতা এবং সকল প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এ বয়সের তরুণেরা কোনো জরাজীর্ণতা বা বাধার কাছে মাথা নত করে না।

    উদ্দীপকের চরণেও দেখা যায়, অগ্রযাত্রী তরুণেরা রক্তমাখা পায়ে সমস্ত বাধা ছিঁড়ে সামনে এগিয়ে চলেছে। পেছনে যারা টানতে চায় তাদের কান্না বা ষড়যন্ত্রকে অগ্রাহ্য করে তারা কেবল সম্মুখপানেই ধাবিত হয়। কবিতার তরুণদের মতো উদ্দীপকের যাত্রীরাও সব বাধা চূর্ণ করে অকুতোভয়ে এগিয়ে যেতে চায়। সুতরাং, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং অগ্রগতির পথে সমস্ত বাধা চূর্ণ করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলার দিকটিতে উদ্দীপক ও কবিতার গভীর সাদৃশ্য রয়েছে।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকের বক্তব্য ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবগত মিলটি সমাজ সংস্কার, অন্যায় দূরীকরণ ও ইতিবাচক নবজাগরণের অর্থে অত্যন্ত গঠনমূলক ও আশাব্যঞ্জক।

    সুকান্ত ভট্টাচার্যের 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় যৌবনের তেজ, প্রাণচাঞ্চল্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াবার অদম্য শক্তির জয়গান গাওয়া হয়েছে। এ বয়সের তরুণরা পদাঘাতে সব পাথর ভাঙতে পারে, দুর্যোগে বুক পেতে দেয় এবং সমাজকে যাবতীয় স্থবিরতা ও অন্যায্যতা থেকে মুক্ত করার স্বপ্ন দেখে।

    উদ্দীপকেও তরুণ সমাজের দৃপ্ত অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়েছে। তারা অতীতের সমস্ত পিছুটান, ভয় ও ষড়যন্ত্রের ফাঁদ ছিঁড়ে সম্মুখপানে ধাবিত হতে চায়। এই অগ্রযাত্রা ধ্বংসের জন্য নয়, বরং শৃঙ্খল ভেঙে নবীন প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য।

    একটি সমাজ যখন স্থবিরতা, কুসংস্কার এবং অন্যায়ে নিমজ্জিত হয়, তখন তা থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন হয় তরুণদের উদ্যম ও আপসহীন লড়াই। উদ্দীপকের চরণগুলোতে এবং 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যের যে নির্ভীক মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে, তা সমাজ ও জাতির নবনির্মাণে অপরিহার্য। তাই বলা যায়, শৃঙ্খল ভেঙে ইতিবাচক ভবিষ্যৎ গড়ার এই অদম্য স্পৃহা মানবমুক্তি ও জাতীয় অগ্রগতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ইতিবাচক।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন