পরিসংখ্যান ১ম পত্র • Combined Board • ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, বরিশাল, দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫

পরিসংখ্যান ১ম পত্র প্রশ্ন

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে এবং জন-জীবন বিপর্যস্ত হচ্ছে। সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য নানা রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। কিছু বিভিন্ন কারণে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব হচ্ছে না।

  1. ক)

    বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান কাকে বলে?

    (1)
  2. খ)

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম ব্যাখ্যা কর।

    (2)
  3. গ)

    উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎপকর্ষতা বৃদ্ধিতে কিছু সুপারিশ প্রণয়ন কর।

    (3)
  4. ঘ)

    উদ্দীপকের আলোকে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

    (4)

উত্তর ও ব্যাখ্যা

  1. ক)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক দেশের আর্থ-সামাজিক, জনমিতিক ও পরিবেশগত অবস্থার ওপর সংগৃহীত এবং নিয়মিতভাবে প্রতিবেদন বা পুস্তিকাকারে প্রকাশিত তথ্য বা উপাত্তকে বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলে।

  2. খ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে দেশের সামগ্রিক মুদ্রা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে। এর প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে—দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা, নতুন মুদ্রা ও নোট প্রচলন করা, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর অভিভাবক হিসেবে কাজ করা, সরকারের ব্যাংকার ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা। এছাড়া এটি নিয়মিতভাবে দেশের আর্থিক খাতের বিশদ পরিসংখ্যান সংগ্রহ ও প্রকাশ করে থাকে।

  3. গ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার মতো জাতীয় সংকট সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের অভাব পরিলক্ষিত হয়। বাংলাদেশে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের উৎকর্ষতা বৃদ্ধিতে নিম্নলিখিত সুপারিশগুলো প্রণয়ন করা যেতে পারে:
    ১. দক্ষ জনবল ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার: তথ্য সংগ্রহকারী ও বিশ্লেষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান এবং ডিজিটাল উপায়ে দ্রুত উপাত্ত সংগ্রহের ব্যবস্থা করা।
    ২. তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা ও সমন্বয় সাধনে জাতীয় সমন্বয়ক কমিটি: সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য বিবিএস (BBS)-এর তদারকি আরও শক্তিশালী করা, যাতে একই বিষয়ে তথ্যের অসঙ্গতি দূর হয়।
    ৩. তথ্যের সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিতকরণ: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা, কারণ বিলম্বিত তথ্য কার্যকর নীতি প্রণয়নে কাজে আসে না।
    ৪. পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ: আধুনিক জরিপ পদ্ধতি ও গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা।

  4. ঘ)

    AI-তৈরি নমুনা উত্তর

    উদ্দীপকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। নিম্নে সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা করা হলো:

    ১. সংজ্ঞা ও উদ্দেশ্য: সরকারি সংস্থা (যেমন—বিবিএস, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়) দ্বারা জাতীয় স্বার্থ ও সামগ্রিক নীতি প্রণয়নের উদ্দেশ্যে যে তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশ করা হয় তা সরকারি পরিসংখ্যান। পক্ষান্তরে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও বা গবেষণা সংস্থা দ্বারা তাদের নিজস্ব কর্মসূচি বাস্তবায়ন বা সুনির্দিষ্ট গবেষণার উদ্দেশ্যে সংগৃহীত তথ্য বেসরকারি পরিসংখ্যান।
    ২. পরিধি ও নির্ভরযোগ্যতা: সরকারি পরিসংখ্যানের পরিধি দেশব্যাপী এবং সামগ্রিক; আইনগত ভিত্তির কারণে এর নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা সাধারণত বেশি। অন্যদিকে বেসরকারি পরিসংখ্যানের পরিধি নির্দিষ্ট প্রকল্প বা অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
    ৩. পদ্ধতি ও সময়োপযোগিতা: সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রিতা থাকতে পারে, তবে তা পদ্ধতিগতভাবে সুনির্দিষ্ট। অন্যদিকে বেসরকারি পরিসংখ্যান তুলনামূলক দ্রুত ও তাৎক্ষণিক বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে অত্যন্ত কার্যকর হলেও এতে কখনো কখনো নমুনাগত পক্ষপাতিত্ব দেখা যেতে পারে।

    সুতরাং, দেশের সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্দীপকে উল্লিখিত জলবায়ু সংকট কার্যকরভাবে মোকাবিলার জন্য সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের সমন্বয় অত্যন্ত ফলপ্রসূ।

আরও প্রশ্ন অনুশীলন করতে অ্যাপে যাও

সম্পর্কিত প্রশ্ন